18 C
Kolkata

Haridebpur: প্রতিপক্ষকে সায়েস্তা করতেই রাখা হয়েছিল বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র

নিজস্ব প্রতিবেদন: দিন কয়েক আগে দক্ষিণ কলকাতার হরিদেবপুরে দাঁড়িয়ে থাকা অটোর থেকে ১৯টি তাজা বোমা ও একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২ রাউন্ড গুলি পাওয়া গিয়েছিল। অটোর নম্বর কে কাজে লাগিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছিল।সেই সিসিটিভির সূত্র ধরেই আটক করা হয় ৪ জনকে।গোটা ঘটনার পিছনে আসল কারণ অন্নেষণ করতেই জানা যায়,ঋণ দানকারী দুই সংস্থার জেরেই ঝামেলার সূত্রপাত। যার জেরে একটি সংস্থার মালিককে অটোর ভিতরে বোমা রেখে ফাঁসানোর তথ্য উঠে আসে। পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযুক্তরা নিজেই পুলিশে খবর দিয়েছিল। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। জানা যায় ধৃতদের নাম ভৈরব বসু, স্বপন মিত্র, বাবলু দলুই ওরফে সোনু এবং অজিত দাস। তাদের আলিপুর আদালতে তোলা হয়। ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। সূত্রের খবর অনুযায়ী,হরিদেবপুর থানার পঞ্চাননতলা রোডে ছিল একটি ঋণ দানকারী সংস্থার। যার মালিক বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের সঙ্গে অভিযুক্ত ভৈরবের বিবাদ চলছিল। সেই বিবাদের জেরেই বিশ্বজিৎকে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল।বিশ্বজিতের সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছিল এক ব্যক্তি। সে লোন শোধ করতে না পারায় তাঁর অটোটি গ্যারাজে তুলে আনা হয়েছিল। বিষয়টি চোখে পড়তেই ভৈরব পরিকল্পনা করে বিশ্বজিৎকে ফাঁসানোর। ধৃতেরা জেরায় সব স্বীকার করেছে।ঘটনাটির বিষয়ে সংস্থার মালিক বিশ্বজিৎ জানান, ‘‘কয়েক বছর আগে কয়েকটি গাড়ির কাগজপত্রের জন্য ভৈরবকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু সে কাজ তো করে দেয়নি, টাকাও ফেরত দিচ্ছিল না। তা নিয়েই ওর সঙ্গে আমার ঝামেলা চলছিল।’’ স্থানীয় বাসিন্দার মতে ,‘‘সকালে এবং বিকেলে বহু লোক যাতায়াত করেন এই এলাকায়। বিকেলে পাড়ার বাচ্চারা খেলাধুলো করে। জনবহুল এলাকায় দিনের পর দিন বোমা পড়ে থাকল, কিন্তু তা পুলিশের নজরে পড়ল না, এই বিষয়টিই আমাদের ভাবাচ্ছে।’’পুলিশকর্তারা ওই এলাকায় নিয়মিত নাকা তল্লাশি চালাচ্ছেন। ক্যামেরার মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। যদি প্রয়োজন পরে তবে আরও নিরাপত্তা বাড়ানো হতে পারে।

আরও পড়ুন:  দ্য রেড ফাইলস

Featured article

%d bloggers like this: