21 C
Kolkata

করোনার ইনজেকশনের নকল শিশি তৈরির ৪ কর্মীকে লালবাজারে জেরা

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ কসবায় ভুয়ো ভ্যাকসিন ক্যাম্পের তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে ধৃত দেবাঞ্জন বিসিজি ও হামের টিকা বাগরি মার্কেট থেকে কিনে আনতেন। এরপর সেই গুলি এনে স্টোর করা হতো একটি ঘরে। সেখানে তাঁর নিযুক্ত ৪ জন কর্মী নকল ছাপানো কভিশিল্ডের স্টিকার সেই বিসিজি ও হামের টিকার ইনজেকশনের শিশির গায়ে আটকে দিত। তাতে কোন ব্যাচ নাম্বার, এক্সপায়ারি ডেট কিছুই উল্লেখ থাকতো না। ওই চার কর্মীকে শুক্রবার লালবাজারে ডেকে জেরা শুরু করেছে গোয়েন্দা বিভাগ।


শুধু হাম অথবা বিসিজি টিকা দিয়ে প্রতারণার ঘটনা নয় এর পাশাপাশি ধৃত দেবাঞ্জন মাক্স, স্যানিটাইজার এর ব্যবসা করতেন। বাগরি মার্কেট থেকে হোলসেল দরে ওগুলি কিনে এনে আবার তা রিসেল করতন বলে জেরায় পুলিশ জানতে পেরেছে।

আরও পড়ুন:  Baranagar: ছাত্র মৃত্যুতে ভোগান্তি চরমে, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ দায়ের ৯ পড়ুয়ার বিরুদ্ধে

তালতলা এলাকায় একটি ফলকে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও এলাকার বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এর পাশাপাশি তার নাম সেখানে লাগানো রয়েছে। ইতিমধ্যে কসবার ভুয়ো ক্যাম্পের থেকে আটক করা নকল করোনার টিকা ইনজেকশনের শিশিগুলি ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে ।কলকাতা পুরসভার পক্ষে অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, ল্যাব থেকে রিপোর্ট আসার পর ওই ইনজেকশন গুলিতে কি পরিমাণ নকল ছিল তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হবে।


এদিকে নিউমার্কেট থানাতে কলকাতা পৌরসভার পক্ষ থেকে একটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে আমহার্স্ট থানাতে প্রতারিত হয়েছেন বলে সিটি কলেজের প্রিন্সিপাল ও ছাত্ররা অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই নকল অর্থাৎ ক্যাম্পের খবর পাওয়া গিয়েছে হাবরাতে ও । তাই সিআইডিও এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে ।তবে প্রশ্ন উঠছে কসবা থানার অনতিদূরে কি করে দীর্ঘদিন ধরে এই নকল ক্যাম্প চললো এবং কেন পুলিশ টের পেল না ?

আরও পড়ুন:  পঞ্চায়েতের লড়াইতে নামলেন লকেট, সৌমিত্র

এই ভুয়ো ক্যাম্পের সন্ধান পাওয়ার পর কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এখন থেকে শহরের বুকে কোরোনা টিকাকরনের কোন ক্যাম্প করতে গেলে আগাম অনুমতি নিতে হবে লালবাজারের।

Featured article

%d bloggers like this: