18 C
Kolkata

Women’s Day: ‘অধিকার ছিনিয়ে নিতে হবে’, নারী দিবসে বার্তা দেবাশিস কুমারের

শ্রাবণী পাল: ‘ধরো হাল শক্ত হাতে’… আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিন সকলের উদ্দেশে এই বার্তাই দিলেন রাসবিহারী কেন্দ্রের বিধায়ক। এইদিন শোভাবাজার মেট্রোর কাছে কদমতলা ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত হয় একটি অনুষ্ঠান। এর মূল উদ্দেশ্য মহিলা সচেতনতা বৃদ্ধি। সকল মহিলার উদ্দেশে এই আয়োজন ছিল ঠিকই। তবে সোনাগাছিতে কর্মরত মহিলাদের উদ্দেশেই বিশেষ করে এই অনুষ্ঠান করা। এমনটা জানান এক উদ্যোক্তা পার্থ মিত্র। আয়োজক কলকাতা কিক বক্সিং অ্যাসোসিয়েশন (ওয়াকো কলকাতা)। একই সঙ্গে উদ্যোগ নেয় উড়ান প্রকল্প, পিংক ফার্স্ট, ইনার হুইল, রোটারি ক্লাব অফ কলকাতা নবদিগন্ত ক্লাব। হাজির ছিলেন কলকাতা কিক বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে পার্থ মিত্র, রোটারি ক্লাবের সেক্রেটারি শ্রীমতী জে. মিত্র, উড়ান প্রকল্পের জেনারেল সেক্রেটারি অর্ণব আচার্য সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানের আকর্ষণ ছিলেন মেয়র ইন কাউন্সিল দেবাশিস কুমার। কিছুটা দেরীতে হলেও উপস্থিত হন তিনি। উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয় তাঁকে। বিধায়কের মুখে শোনা যায় নারী দিবসের শুভেচ্ছাবার্তা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমরা সমানাধিকারের কথা বললেও, কন্যা ভ্রূণই সবচেয়ে বেশি নষ্ট করা হয়। তাই আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বলব, কখনও মহিলারা ভাববেন না পুরুষ অধিকার দেবে। আপনাকেই সেই অধিকার ছিনিয়ে নিতে হবে। পৃথিবীতে যে সম্পদ আছে, আমার মতে তার অর্ধেক মহিলা ও বাকিটা পুরুষের।”

আরও পড়ুন:  Abhishek Banerjee Rally: অভিষেকের সভার আগেই 'শান্তিকুঞ্জে’র নিরাপত্তায় আঁটসাঁট

এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর কথা বলেন তিনি, “মনে রাখবেন পশ্চিম বাংলায় এটা সম্ভব। কারণ এখানের মুখ্যমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (পাশ থেকে কয়েকজন বলে ওঠেন “উনিও তো মহিলাই, উনি করে দেখিয়েছেন”)। ২০২১ এর নির্বাচন মনে থাকবে। সারা ভারতবর্ষ থেকে পুরুষরা এসেছিল একজন মহিলাকে সরাতে। ক্ষমতা থাকলে এটা সম্ভব হয় না। নিজের জোরে ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে হয়। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় আমরা আপনাকে আটকে রাখব। আপনাকে নিজের অধিকার ছিনিয়ে নিতে জানতে হবে।” শেষে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুনন্দা সরকারকে অভিনন্দন জানান। বিধায়ককে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন পৌরমাতা। ব্যস্ততার কারণে বেরিয়ে যান দেবাশিস কুমার। বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর। তাঁর মুখে একটু অন্য শুর শোনা গেল। তিনি মনে করেন, নারী ছাড়া পুরুষের চলা যেমন কঠিন, তেমনই উল্টোটাও। আজকালকার যুগে ছেলেরাও সাহায্য করছে এগিয়ে যাওয়ার জন্য। কিছু সময়ে বাধ্য হয়ে ‘একলা চল রে’র পথে হাঁটতে হয় ঠিকই। তবে দু’জন একসাথে চললে পথ আরও সুন্দর হয়। মেয়েদের সুরক্ষার মার্শাল আর্টের কিছু সুরক্ষা পদ্ধতি দেখিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়।

আরও পড়ুন:  Pradhan Mantri Awas Yojana: প্রধানমন্ত্রীর আভাস যোজনার আওতায় রাজ্যের লক্ষাধিক গরিব মানুষ

Featured article

%d bloggers like this: