28 C
Kolkata

Covid : কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করছেন? বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

নিজস্ব সংবাদদাতা : করোনা অতিমারীর শুরুর দিন থেকেই চিকিত্সকরা মুখে মাস্ক পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন. সংক্রমণ ঠেকাতে সচেতনতামূলক প্রচারে মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক বলা হচ্ছে প্রশাসনের তরফ থেকেও. আজকের হাল ফ্যাশনের যুগে পোশাকের সঙ্গে মানাই সই নানা রঙের কাপড়ের মাস্ক পড়ার চলও উঠেছে. কিন্তু এই কাপড়ের মাস্ক কতটা সুরক্ষা দিতে সক্ষম. বর্তমান আবহে সংক্রমণর বেলাগাম বূৃদ্ধিতে উঠছে এই প্রশ্নই. কাপড়ের মাস্কে ওমিক্রন ঠেকানো সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে আক্রান্ত হতে লাগতে পারে মাত্র ২০ মিনিট। এমন দাবী করেছেন মার্কিন এক দল গবেষক। তাঁদের যুক্তি, মাস্ক নিশ্চয়ই সংক্রমণ রুখতে দারুণ এক অস্ত্র। কিন্তু যে কোনও মাস্কেরই সেই ক্ষমতা নেই।

তাঁরা জানাচ্ছেন, যদি কোনও ব্যক্তির মুখে এন৯৫ মাস্ক থাকে, তাহলে কোনও মাস্কবিহীন সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে তাঁর অন্তত আড়াই ঘণ্টা লাগবে সংক্রমিত হতে।আর দু’জনেই মাস্ক পরে থাকলে সময়টা বেড়ে যায় ১০ গুণ- অর্থাৎ ২৫ ঘণ্টা। সার্জিক্যাল মাস্ক সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটি কাপড়ের মাস্কের থেকে অনেক বেশি সুরক্ষা দেয়। যদি কোনও মাস্ক না পরা সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসেন কোনও সার্জিক্যাল মাস্ক পরা ব্যক্তি, সেক্ষেত্রে ৩০ মিনিট পর্যন্ত সংক্রমণকে রোখা সম্ভব।আর যযদি সেই ব্যক্তি কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করেন তাহলে সংক্রমণ হতে পারে মাত্র ২০ মিনিটেই।
মাস্কহীন মানুষজন সংক্রমিত হতে পারেন মাত্র ১৫ মিনিটেই। সুতরাং কাপড়ের মাস্ক পরে থাকা আর মাস্ক ছাড়া থাকা আর মধ্যে বিশেষ কোন ফারাক থাকছে না বলেই দাবী করেছেন গবেষকরা। করোনার অন্যান্য প্রজাতির থেকে তিন থেকে পাঁচ গুণ পর্যন্ত বেশি সংক্রামক ওমিক্রন। তাই ডাক্তাররা ডবল মাস্ক পরার পরামর্শও দিচ্ছেন।

আরও পড়ুন:  ICC Ranking : শীর্ষস্থান মজবুত করল ভারত
আরও পড়ুন:  Double Decker Bus Kolkata: পুজোয় কলকাতা ঘুরুন হুডখোলা বাসে

Related posts:

Featured article

%d bloggers like this: