28 C
Kolkata

Jharkhand MLA: ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ ঝাড়খণ্ডের তিন বিধায়ক

নিজস্ব প্রতিবেদন: সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হলেন ঝাড়খণ্ডের তিন বিধায়ক। মামলা করার অনুমতি দিলেন প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব। দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছেন ওই বিধায়ক। বিষয়টি খতিয়ে দেখারও আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। বৃহস্পতিবার ধৃত তিন বিধায়কের উভয় আরজি খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য। বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, নিরপেক্ষভাবে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে নিজেদের তদন্তের কাজ চালিয়ে যেতে পারবে সিআইডি। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হলেন তিন বিধায়ক।

বিপুল টাকা-সহ গ্রেফতার হন ঝাড়খণ্ডের ৩ কংগ্রেস বিধায়ক। ওই ৪৯ লাখ টাকা ৩ বিধায়কের কাছে কীভাবে এল? ঝাড়খণ্ড কংগ্রেসের এক বিধায়ক অভিযোগ করেছেন, সরকার ভাঙার জন্যই ওই টাকার লেনদেন হচ্ছিল। সরকার ভাঙার জন্য তাঁকে ১০ কোটি টাকা টোপ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার লালবাজার এলাকায় বিকানের বিল্ডিংয়ের ব্যবসায়ী মহেন্দ্র আগরওয়ালের অফিসে তল্লাশি চালায় সিআইডি।

আরও পড়ুন:  Dengue: পুজোতে হানা ডেঙ্গুর, আতঙ্কিত চিকিৎসকেরা

সিআইডি-র অনুমান, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে হাওয়ালা যোগ রয়েছে। তল্লাশি অফিস থেকে মোট ৩ লাখ ৩১ হাজার টাকা উদ্ধার হয়। সেইসঙ্গে কমপক্ষে ২৫০টি রূপোর কয়েনও উদ্ধার হয়। এই অফিসেই টাকার হাতবদল হয়েছিল বলে মনে করছেন সিআইডি অফিসাররা। এর পাশাপাশি, ঝাড়খন্ডে সরকার ফেলার ‘ষড়যন্ত্র’ মামলায় মঙ্গলবার সিদ্ধার্থ মজুমদারের নামে লুক আউট সার্কুলারও ইস্যু করে সিআইডি।

আরও পড়ুন:  SSC Scam: পুজোর আগেই যোগ্যপ্রার্থীদের চাকরির নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

ধৃত তিন বিধায়ককে জেরা করেই উঠে আসে সিদ্ধার্থ মজুমদারের নাম। ২০ জুলাই ও গত শুক্রবার গুয়াহাটিতে যে বৈঠকে হয়, সেখানে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে ছিলেন দিল্লির বাসিন্দা এই সিদ্ধার্থ মজুমদার। কিন্তু বুধবার অভিযুক্তের দিল্লিতে বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের বাধার মুখে পড়েন সিআইডি অফিসাররা। তল্লাশির এক্তিয়ার নিয়ে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সংঘাত বাধে দিল্লির পুলিশের।

আরও পড়ুন:  Kolkata: হয়েও হল না পুরো মিছিল, কালীঘাটেই আটকে দেওয়া হল ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’

বুধবার সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়েই দক্ষিণ দিল্লিতে সিদ্ধার্থ মজুমদারের বাড়িতে অভিযান চালাতে যায় সিআইডি। স্থানীয় আর কে পুরম থানায় আগাম খবরও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু থানা থেকে এসকর্ট দেওয়ার পরেও, তল্লাশির আগেই অনুমোদন বাতিল করা হয়। যা নিয়ে উত্তাল হয় রাজ্যসভা। প্রতিবাদে রাজ্যসভা থেকে ওয়াক আউট করে তৃণমূল কংগ্রেস। সিআইডি অভিযোগ করে, দিল্লি পুলিসের এহেন আচরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রমাণ লোপাট হয়ে যাবে। অন্যদিকে, বুধবারই এই মামলায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন পড়শি রাজ্যের ৩ বিধায়ক। বৃহস্পতিবার ধৃত তিন বিধায়কের উভয় আরজি খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য।

আরও পড়ুন:  High Court : নবান্ন অভিযানের বিরুদ্ধে জনস্বার্থে মামলা খারিজ

Featured article

%d bloggers like this: