19 C
Kolkata

Tallah Bridge: তিন মাসের মধ্যে খুলে দেওয়া হতে পারে টালা ব্রিজ, জানালেন পূর্তমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা : উত্তর কলকাতার সঙ্গে দক্ষিণ কলকাতার সংযোগস্থাপনকারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই টালা ব্রিজ। স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর ধরা পড়েছিল এই ব্রিজটি অত্যন্ত জীর্ণ হয়ে পড়েছে। ব্রিজের কিছুটা অংশ রেল লাইনের উপর দিয়ে গিয়েছে। সেই বিশেষ অংশে কাজ করতে রেলের কাছে অনুমতি চেয়েছিল রাজ্য। সেই অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় কাজ আটকে ছিল। রেলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে ২০২০-র ফেব্রুয়ারিতে এই ব্রিজ ভাঙার কাজ শুরু হয়েছিল। একই সঙ্গে নতুন ব্রিজ তৈরির কাজ শুরু হয়। দীর্ঘ প্রায় দু’বছর বন্ধ হয়ে রয়েছে টালা ব্রিজ।

ফলে বিকল্প এবং ঘুরপথেই যান চলাচল করছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যেই টালা ব্রিজ খুলে দেওয়ার একটা পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জন্য কাজ কিছুটা ব্যাহত হয়। ফলে ফেব্রুয়ারি নয়, এই ব্রিজ দিয়ে চলাচল করতে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে সাধারণ মানুষকে। শুক্রবার টালা ব্রিজের কাজ পরিদর্শনে আসেন রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী মলয় ঘটক। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। তাঁরা ব্রিজের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। ব্রিজের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে মন্ত্রী বলেন, “লক্ষ্য ছিল ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ব্রিজ খুলে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন:  Mamata Banerjee: যেমন কথা তেমন কাজ, মমতার কনভয় ছাড়ল অ্যাম্বুলেন্স

কিন্তু কোভিড পরিস্থিতিতে কাজ ব্যাহত হয়।” তবে তিন মাসের মধ্যেই এই ব্রিজ খুলে দেওয়া সম্ভব হবে বলেই আশা প্রকাশ করেছেন মলয় ঘটক। ২০২০-র ৩১ জানুয়ারি মাঝরাত থেকে টালা ব্রিজে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। শুরু হয় ব্রিজ ভাঙার কাজ। সূত্রের খবর, নতুন টালা ব্রিজ হবে ৮০০ মিটার লম্বা এবং ১৯ মিটার মিটার চওড়া। চার লেনের ব্রিজ হবে।এই সেতু তৈরি হচ্ছে খুবই আধুনিক প্রযুক্তিতে।

কোনও নাট-বোল্ট ব্যবহার করা হচ্ছে না৷ এর ফলে কাঠামোর স্থায়িত্ব অনেকটাই বেড়ে যাবে৷ Indian Road Congress এর কোড মেনেই এই সেতু তৈরি করা হচ্ছে। ৩৮৫ টনের চলমান গাড়ির ওজন বহনে সক্ষম হবে এই নয়া টালা সেতু। ১৯৬২ সালে সেই সময়ের সম্ভাব্য ভারবহন ক্ষমতার হিসাব অনুযায়ী টালা সেতু বানানো হয়েছিল।

আরও পড়ুন:  Abhijit Gangopadhyay: ভুয়ো নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করতে হবে কমিশনের ওয়েবসাইটে, নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

Featured article

%d bloggers like this: