33 C
Kolkata

WB Assembly : বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পাশ বিধানসভায়

নিজস্ব প্রতিবেদন : বিধানসভায় পাশ হয় বিল নিয়ে রাজভবনে নালিশ করেছিলেন বিরোধী বিধায়করা। মঙ্গলবার এই নিয়ে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধীনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি রাজ্যপালের কাছে আর্জি জানান , ” বিল পাশ করবেন না। আটকে রাখুন। ” বিজেপি বিধায়কদের এই আচরণের নিন্দা করে বুধবার তাঁদের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব পাশ হয় বিধানসভায়।

এই নিয়ে পরিষদীয় মন্ত্রী প্রার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন ,” বিরোধীদলের সদস্যরা রাজভবনে গিয়ে বিভিন্ন রকমের মন্তব্য করেছেন। বিধানসভায় বিল পাশ নিয়ে ভোটাভুটিতে অংশ নিয়েছি। ভোট হেরেছি। কিন্তু তাঁরা বিল আটকে রাখতে বলে আইনসভা আর বিধানসভার গরিমা নষ্ট করেছেন। এই আইনসভার সদস্যরা আইনসভাকে অসম্মান করছে। সেই জন্য এই সভার আমি তীব্র নিন্দা করছি। “

উল্লেখ্য বিরোধীদের এমন আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন বিধান সভার অধ্যক্ষ। তিনি বলেন ,” আপনারা রাজ্যপালের কাছে গিয়ে বলছেন এই বিল পাশ করবেন না ! এতে বিধানসভার মর্যাদা নষ্ট হয়েছে। ইটা ঠিক না। ” এরপরই নিন্দা প্রস্তাব পাশ হয় বিধানসভার।

আরও পড়ুন:  Birbhum: প্রতারক এবার আপনার বাড়ির পাশে!
আরও পড়ুন:  Saradha Scam : সারদার টাকা ফেরত পাবেন আমানতকারীরা

মঙ্গলবার বিধানসভায় ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি অফ হেলথ সায়েন্স অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ‘ ২০২২ বিলটি পেশ করেন রাজ্যের স্বাস্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।প্রথম দফায় ধ্বনি ভোটে পাস হয়ে যায় বিলটি। কিন্তু তাতে ভোটাভুটির দাবিতে সরব হন বিরোধীরা । আগের বার চিরকুট ভোটাভুটিতে গণনায় গণ্ডগোল হয়েছিল । তাই এদিন গণকযন্ত্র ভোটের দাবি তোলেন বিজেপি বিধায়করা । তাঁদের সেই দাবি মেনে নেন বিধানসভার স্পিকার । কিন্তু তাতেও সমস্যার সৃষ্টি হয় । দেখা যায় এবারও ভোটের সংখ্যায় গণ্ডগোল হয়েছে। তারপর চিরকুট ভোটে গ্রহণ হয় । আর তাতে দেখা যায় বিলের পক্ষে ১৩৪টি , বিপক্ষে ৫১টি ভোট পড়ে। এই বিল পাশের প্রতিবাদে রাজববনে নালিশ জানতে যান বিরোধী বিধায়করা ।

আরও পড়ুন:  Weather : এক ঝলকে আবহাওয়া

এরপর বিলটি পাশ হওয়ার পর তা রাজভবনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে গিয়েই বিজেপি বিধায়করা রাজ্যপালকে বিলে স্বাক্ষর করতে মানা করেন। যেটা রাজ্যের শাসক দলের কাছে অবমাননাকর বলে মনে হয়েছে। এই বিল প্রসঙ্গে রাজ্যপাল জানিয়েছেন, ” আমি কোনও রকম পক্ষপাতিত্ব না করে খুব মন দিয়ে বিলগুলো দেখব। যদি গ্রহণযোগ্য হয় তাহলে করব. নাহলে করবনা। গণতন্ত্রকে জলাঞ্জলি দেব না। রাজ্যপাল বা মুখ্যমন্ত্রী কেউই আইনের উপরে না। “

আরও পড়ুন:  SSC: শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় তদন্ত শুরু করল ইডি

Featured article