34 C
Kolkata

ভোগান্তির দায় কার?

নিজস্ব সংবাদদাতা :: আমফানের ৫ দিন পরেও বিদ্যুত্‍-জলহীন রাজ্যের বহু জায়গা। বাড়ছে রোষ। ফুঁসতে থাকা মানুষ রবিবারেও পথে নেমে প্রতিবাদ-অবরোধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সিইএসসি, বিদ্যুত্‍ বণ্টন সংস্থা ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে। তবে রাজ্যের বিদ্যুত্‍কর্তারা বলছেন, পরিস্থিতি যে রকম ভয়ঙ্কর, তাতে পরিষেবা পুরো ঠিক হতে আরও বেশ কিছু দিন লাগবে। দিন-রাত কাজ চলছে। বিদ্যুত্‍ দফতরের দাবি, ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলির কিছু অঞ্চলে রবিবার থেকে ন্যূনতম সংযোগটুকু চালু করা গিয়েছে। আগের তুলনায় অবস্থা অনেকটা সামলে ওঠার দাবি করছে সিইএসসি-ও। বেশ কিছু জায়গায় শনিবার রাতে ও রবিবার সকাল থেকে পরিষেবা চালু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থা।ঝড়ে বিপর্যস্ত জেলাগুলিতে দ্রুত বিদ্যুত্‍ পরিষেবা স্বাভাবিক করার জন্য বিদ্যুত্‍ বণ্টন সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষকে ধৈর্য ধরার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত অবস্থা সামলাতে বলেছেন সিইএসসি-কেও। নিজে ভিক্টোরিয়া হাউসে গিয়ে সংস্থার কর্তাদের সঙ্গে দেখা করে কাজের তদারকি করেছেন। সূত্রের খবর, এতেই সব স্তরে তত্‍পরতা বেড়েছে বিদ্যুত্‍ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা নিয়ে।বণ্টন সংস্থার শীর্ষকর্তারাও বলছেন, লকডাউনে এমনিতেই তাঁদের লোকসান হয়েছে প্রায় ২০০০ কোটি টাকা। আমফানে তা আরও দেড় গুণ বাড়ার আশঙ্কা। তবে নবান্ন জানিয়ে দিয়েছে, অর্থের কথা না-ভেবে দ্রুত বিদ্যুত্‍ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে হবে। বিদ্যুত্‍ দফতর অবশ্য জানিয়েছে, কলকাতা ও শহরতলিতে বণ্টন সংস্থার অনেক জায়গায় আলো ফিরেছে। যার মধ্যে গড়িয়া, বাঁশদ্রোণী, নিউটাউন, বারাসতের কিছু অঞ্চল ছাড়াও আছে তমলুক, এগরা, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট ইত্যাদি। সিইএসসি সূত্রের দাবি, বিদ্যুত্‍ এসেছে যাদবপুর, সেলিমপুর, মুকুন্দপুর, রাশবিহারী, লেকটাউন, নাগেরবাজারের মতো এলাকায়। তবে এখনও যাঁরা আলো-জলহীন হয়ে রয়েছেন, ক্ষোভে ফেটে পড়তে পড়তে তাঁদের প্রশ্ন, এই ভোগান্তির দায় কার?

আরও পড়ুন:  Rujira Banerjee: সন্তানকে কোলে নিয়ে সিজিওতে রুজিরা
আরও পড়ুন:  Election Update: বাগডোগরা বালিকা বিদ্যালয়ে বিজেপি কর্মীকে মারধর

Related posts:

Featured article