24 C
Kolkata

State Schemes Amartya Sen Report: কেন্দ্রের উপর ভরসা কমছে কোভিডকালের ভুক্তভুগিদের! কী বলছে রিপোর্ট?

নিজস্ব প্রতিবেদন: করোনা মহামারি থেকে আর্থ-সামাজিক অতিমারি হয়ে উঠেছে। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ এই অভিশপ্ত সময়ে কেন্দ্রের উপর ভরসা রাখতে পারেনি। বরং রাজ্য সরকারের প্রকল্পের উপর ভরসা করেই বেঁচেছে। নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের ‘স্টেয়িং অ্যালাইভ’ শীর্ষক রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই তথ্য। ২০২০ সালের জুলাই-ডিসেম্বর অর্থাৎ প্রথম ঢেউ চলাকালীন এবং দ্বিতীয় ঢেউয়ের শুরুতে পশ্চিমবঙ্গের দু’হাজার পরিবার নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে আটকে পড়েছিলেন অনেকে। কোনও রাজ্য উৎসাহ নিয়ে ফিরিয়ে আনতে চায়নি। এরাজ্য যোগাযোগ করে বিশেষ ট্রেনের সাহায্যে ঘরে ফিরিয়েছিল। সমীক্ষার নমুনায় অন্তর্ভুক্ত এ রাজ্যের শ্রমিকেরা ১৯টি রাজ্য থেকে ফিরেছেন। বেশিরভাগই রাজমিস্ত্রি। অর্ধেকের বেশি ১ মে শ্রমজীবী স্পেশ্যাল ট্রেন চালু হওয়া পর্যন্ত আটকে ছিলেন। ৯০ দিন ওই অবস্থায় বন্দি থেকেছেন কেউ-কেউ। ২৫০ কিলোমিটার হেঁটে বা ৭০০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে ফেরার অভিজ্ঞতাও রয়েছে কারও। আরও একটি দিক উঠে এসেছে সমীক্ষায়। ভুক্তভুগি পরিবারগুলির মধ্যে ৮৭.৮ শতাংশের রোজগার কমেছে। ১০০ দিনের কাজের কার্ডধারী পরিবারগুলির ৪৫ শতাংশ কাজ পায়নি। সব থেকে বেশি ভুগেছে রেশনকার্ড-বিহীন পরিবারগুলি। খাদ্য সঙ্কট দেখা দেখা গিয়েছে পুরুলিয়া (৪৭.৫ শতাংশ) এবং বাঁকুড়ায় (৩৫ শতাংশ)।  রিপোর্টের অন্যতম সমীক্ষক সাবির আহমেদ জানান, ‘সরকারি স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, গণবণ্টন ব্যবস্থা বা কর্মসংস্থান সুরক্ষা নীতিতে রাজ্যের উপরই জনতার আস্থার ছবি ফুটে উঠেছে।’

আরও পড়ুন:  Accident: জাতীয় সড়কে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, মৃত ৫ যুবক

আবার আশাকর্মী এবং সহযোগী স্বাস্থ্য-সেবিকাদের কাজের পরিসংখ্যানও ফুটে উঠেছে এই সমীক্ষায়। ছুটি পাননি স্বাস্থ্যকর্মীরা। বাড়ি-বাড়ি ঘুরে কোমর্বিডিটি চিহ্নিত করেছেন তাঁরা। লকডাউনের পর টিকাকরণেও সোচ্চার হয়েছিলেন। রিপোর্টে অনুযায়ী, এক-এক জন আশাকর্মী ১,৮৯৮ জন রাজ্যবাসীর দায়িত্বে ছিলেন। দিনে ১৩ ঘণ্টা কাজ করেছেন। দায়বদ্ধতার তাগিদেই এই অসাধ্য সাধন সম্ভব হয়েছে।

Featured article

%d bloggers like this: