18 C
Kolkata

Covid : শর্তসাপেক্ষে হোটেল খোলার অনুমতি

নিজস্ব সংবাদদাতা : তারাপীঠ-শান্তিনিকেতনে শর্তসাপেক্ষে হোটেল খোলার অনুমতি দিল জেলা প্রশাসন। এই সিদ্ধান্তের ফলে স্বভাবতই খুশি তারাপীঠ, বোলপুর-সহ জেলার পর্যটন কেন্দ্রের হোটেল ব্যবসায়ীরা। হোটেল ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে হোটেলে বুকিং শুরু করে দেওয়া হয়েছে। ফলে তারাপীঠের বিভিন্ন হোটেলে পুণ্যার্থীরা ঢুকতে শুরু করেছেন। ভিড় দেখা গিয়েছে তারাপীঠ মন্দিরেও।

গত ৮ জানুয়ারি থেকে শান্তিনিকেতন ও তারাপীঠের সব হোটেল বন্ধের নির্দেশ দেয় প্রশাসন। তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদ অনলাইনে বুকিং বাতিল করে হোটেলে এসে বুকিং করার অনুমতি দেয়। কিন্তু জেলার করোনা পরিস্থিতির কথা পর্যালোচনা করে তাও বন্ধ করে দেয় জেলা প্রশাসন। ফলে পর্যটন মরশুমে জেলাজুড়ে চরম আর্থিক দুর্ভোগে পড়েন হোটেল ব্যবসায়ীরা। এরপরেই তারাপীঠ-শান্তিনিকেতনে ২৫ শতাংশ আবাসিক নিয়ে হোটেল খোলার অনুমতি দিল জেলা প্রশাসন। সূত্রের খবর, আগামী ৩১ জানুয়ারির পর থেকে হোটেল ব্যবসায় আরও ছাড়ের দাবি জানাতে পারেন ব্যবসায়ীরা।

কারণ সূত্র বলছে, ব্যবসায়ীদের দাবি, তারাপীঠ আর শান্তিনিকেতন ছাড়া বীরভূমের অন্য কোনও পর্যটন কেন্দ্রে না কি কোনওদিনই বিধিনিষেধের ঘেরাটোপ ছিল না।  অন্যদিকে, শনিবার রাজ্য সরকার করোনা বিধি-নিষেধ পূর্ববর্তী বিজ্ঞপ্তি জারি রেখে কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল করেছে। যার মধ্যে অন্যতম হল, হোটেল কিংবা অনুষ্ঠান ভবনে ২০০ জন লোক নিয়ে বিবাহ বা সামাজিক অনুষ্ঠান করা যেতে পারে। জমায়েতের এই নির্দেশিকার পরেই তারাপীঠ-শান্তিনিকেতনে শর্তসাপেক্ষে হোটেল খোলার অনুমিতি দেয় প্রশাসন।

যদিও বক্রেশ্বরে হোটেল সংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রসঙ্গে সেখানকার বযবসায়ীরা জানিয়েছেন, এবার শীতে বক্রেশ্বরে তেমন যাত্রী না থাকার কারণেই বক্রেশ্বরে হোটেল নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও দিন চাপ দেওয়া হয়নি। তবে কারণ যাই হোক, শীতের মরশুমে তারাপীঠ-শান্তিনিকেতনে হোটল বুকিংয়ের অনুমতি পেয়ে আর্থিক চিন্তা থেকে কিছুটা হলেও স্বস্তিই পেয়েছেন ব্যবসায়ী মহল।

আরও পড়ুন:  ফের টাকার পাহাড়! গাড়ির টায়ার থেকে উদ্ধার নগদ ৯৪ লক্ষ টাকা

Featured article

%d bloggers like this: