22 C
Kolkata

Durga Puja 2022: সপ্তমীতেই সিঁদুরখেলা! বীরভূমে শোলার মা

নিজস্ব প্রতিবেদন: আর মাত্র একটা দিন বাকি তারপরই মহালয়া। ঠিক তার একসপ্তাহ পরই বাঙালির শ্ৰেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। ইতিমধ্যেই তার প্রস্তুতি পর্ব তুঙ্গে। তিলোত্তমায় সেজে উঠেছে তাঁর নয়া রূপে। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই প্রতিমা দর্শনের জন্য মহানগরে আসেন অনেক ভিন দর্শনাথীরা। ঠিক সেরকমই পুজোর শেষ প্রস্তুতিতে সেজে উঠেছে প্রায় ৩৫০ বছরের পুরনো বীরভূমের রামপুরহাটের খরুন গ্রামের রায় জমিদার বাড়ি পুজো। এখনও সেই পুরনো প্রথা মেনেই পূজিত হচ্ছে এই পুজো। এই পুজো স্থানীয় বাসিন্দারা সকলেই অংশগ্রহণ করে থাকে।

প্রতিটা জমিদার বাড়ির পুজোর বিশেষ বিশেষত্ব থাকে। ঠিক সেরকম ই এই গ্রামের রায় জমিদার বাড়ির পুজোরও একটি বিশেষত্ব আছে। এই পুজোয় মূর্তি হিসাবে ব্যবহৃত হয় শোলা। সোনার মূর্তিতেই পূজিত হয় দুর্গা। তবে এই পূজো নিয়ে এক ইতিহাস রয়েছে।

আরও পড়ুন:  Puri Train: এবার চার ঘণ্টা অপেক্ষার প্রয়োজন নেই, কম সময়তেই পোঁছে যান জগন্নাথ দর্শনে

সেই ইতিহাস নিয়ে গ্রামের জমিদার রামনিধি রায় ও রামকানাই রায় জানিয়েছেন, তারা দুজনে পুজো করেন এই সোলার মূর্তিকে। তবে কথিত আছে রায় বংশের এক কুমারী মেয়ে নাকি মাটির বদলে কাগজের মূর্তিতে পুজোর করার প্রচলন শুরু করে। শুধু মূর্তি ছিল ছিল না মা দুর্গার কোনই সন্তান। তার কিছু বছর পর কাগজের বদলে শোলার পটভূমিতে পুজো করা হয়।

এই পুজোর সূচনা মহালয়ার বিকেলে একচালা পট মূর্তির নিরঞ্জন হয়। তারপর প্রতিপদের সূচনায় ঘটতে জল ভরে এবং বলিদান এর মধ্যে দিয়ে সেই বছরের পুজোর সূচনা হয়। রায় বাড়ি ছাড়া আর চারটে সাবেকি পুজো হয় ওই এলাকায়। ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় ওই চার পুজো বাড়ির প্রতিনিধি রাই মন্ডপে হাজির হন তারপর নবপত্রিকা নিয়ে দোলার ঘট ভরে সকলে মিলে। তবে এই পুজোর মূল আকর্ষণ হল সিঁদুর খেলা। সাধারণত আমরা দশমীর দিন সিঁদুর খেলা হয়ে থাকে। কিন্তু এই রায় জমিদার বাড়ির পুজোয় ছোপ তুমিতেই সিঁদুর খেলার মেতে ওঠে গ্রামবাসী।

আরও পড়ুন:  Mamata Banerjee :সবকিছু আন্তর্জাতিক হয়? তাহলে স্থানীয়রা কোথায় যাবে?' বিধানসভা থেকে প্রশ্ন মমতার

Featured article

%d bloggers like this: