27 C
Kolkata

sscscam: নিয়োগে অনীহা বিকাশভবনের, বৃহত্তর আন্দোলনের সম্ভাবনা

শ্রাবণী পাল: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ পেলেই প্রক্রিয়া এগোবে। এমনই আশ্বাস দিয়েছিলেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ ডেটা রুমের অধিকার কমিশনের হাতে দিয়েছেন। চাকরিপ্রার্থীদের আক্ষেপ, এরপরও গতি নেই কাজে। মঙ্গলবার কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষা বিভাগের চাকরিপ্রার্থীরা দেখা করেন এসএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে। দীর্ঘ ২০ মিনিট বৈঠকের পরও রয়েছে আক্ষেপ। প্রার্থী শেখ জামাল কীখবরকে জানান, আমরা চেয়েছিলাম পুজোর আগে নিয়োগ হোক। চেয়ারম্যান জানান, উনি আমাদের যাবতীয় নথি বিকাশ ভবনে পাঠিয়েছেন। জমা পড়া তালিকায় রয়েছে প্রার্থীদের নাম, ঠিকানা, লিঙ্গ এবং বিভাগ। তবে বিকাশ ভবনের তরফে একটি রেকমেন্ডেশন পাঠানোর কথা। সেখানেই চাকরীপ্রার্থীদের নাম ও স্কুলের নাম থাকবে। তা না এলে কমিশনের হাতে কিছু নেই। ওই রেকমেন্ডেশন পাঠাবেন এডুকেশন কমিশনার।’ আবার হতাশ হলাম। সরকারের উপর আস্থা নেই।’

আরও পড়ুন:  Dengue in Siliguri: ডেঙ্গুর আতঙ্কে আতঙ্কিত স্থানীয়রা
আরও পড়ুন:  Accident: জাতীয় সড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, নিহত একই পরিবারের ৩ সদস্য


মেধা তালিকার প্রথম সারিতে নাম থাকা সত্ত্বেও নিয়োগ পেতে এত হয়রানি। একের পর এক ধর্নার পর আশার আলো দেখেছিলেন। তবে সিঁদুরে মেঘ দেখে ভয় এখনও কাটেনি। জামালদের দাবি, পুজোর আগে নিয়োগ হবে বলে মনে হচ্ছে না। এই পুজোটাও আক্ষেপ নিয়েই কাটাতে হবে। জানি না ডেট লাইন (৩১ ডিসেম্বর) পেরিয়ে যাবে কি না। আগামী সপ্তাহে বিকাশ ভবনের সামনে লাগাতার ধর্নায় বসার কথাও জানিয়েছেন বঞ্চিতরা। প্রশ্ন উঠছে, নিয়োগে কেন এত ঢিলেমি? আইনি জটিলতা নেই, আদালতের সমর্থনের পরও হচ্ছে না সুরাহা। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁর কথায় রাজ্যের ফাঁকা ভাঁড়ার ও বেতন দিতে অক্ষমতার ছবি ফুটে উঠেছে।

Featured article

%d bloggers like this: