28 C
Kolkata

Rabindranath Tagore Death Anniversary: শেষ শ্রাবণে কবি কই!


নিজস্ব প্রতিবেদন: সেই শ্রাবণী পূর্ণিমার জোৎস্নায় যেনও কার কান্না লেগে আছে? জোড়সাঁকোর অন্ধকার বারান্দায় দাঁড়িয়ে প্রতিমাদেবী চোখের জলকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন, ‘আরেকটু দাঁড়া’! এমন সময় বারান্দার শেষ প্রান্ত থেকে ভেসে এল রানীচন্দের কণ্ঠস্বর, ‘এবার বাবামশাইয়ের কাছে চলুন।’ দুষ্টু কান্নাগুলো বেড়া টপকে হইহই করে দামাল ছেলের মতো এগিয়ে এল।

ভেজা অস্পষ্ট দৃষ্টিতে বাবামশাইকে ভীষণ ম্লান লাগছিল প্রতিমা দেবীর। অভিমানী কণ্ঠস্বরে দু-একবার বাবামশাইকে ডাকলেন। কিন্তু সেই ডাক পৌঁছল না। তিনি তো তখন অনন্তের যাত্রায় মগ্ন। বৃষ্টিভেজা গভীর রাতে কবি রওনা দিলেন মহাপ্রস্থানের পথে। পরের দিন সকালে এই দুঃসংবাদ দাবানলের মতো আছড়ে পড়ল বাঙালির মননে। সেদিন সকালে সূর্যোদয় হয়েছিল, কিন্তু নিভেছিল রবির জীবনপ্রদীপ। কবি নেই, কেউই তা বিশ্বাস করতে পারছিল না। তাই শত-সহস্র অবিশ্বাসী মানুষ ভিড় জমিয়েছিল জোড়াসাঁকোর ঠাকুবাড়িতে। কবি কই? এর উত্তর আর মিলল না। আবেগ তখন উন্মাদনায় পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন:  Man of the Match:'ম্যান অফ দ্য ম্যাচ',একজনই

অত্যুৎসাহী কয়েকজন যুবক কবির শবশকটে উঠে পড়লেন। প্রিয় কবির শেষ চিহ্ন হিসাবে চুল ও দাঁড়ি টেনে ছিঁড়লেন। জনসমুদ্র পেরিয়ে রবিপুত্র রথীনন্দ্রনাথ ঠাকুর সঠিক সময়ে প্রিয় বাবামশাইয়ের মুখাগ্নি করতে পারেননি। রবির অস্তরাগের পর কেটে গিয়েছে ৮০ বছর। তবে, ২২ শ্রাবণ আজও বাঙালি কাঁদে। চিন্তন, মননে বাজে সেই করুণ সুর, কবি কই!

আরও পড়ুন:  Kurmi Protest: ৯৬ ঘন্টা স্তব্ধ জাতীয় সড়ক

Featured article

%d bloggers like this: