18 C
Kolkata

EXCLUSIVE DOL YATRA: দোলের রং আর আলাদা করে রঙিন করে না: প্রদীপ্ত কর্মকার

শ্রাবণী পাল: ‘এ সারাটা কাল- টানা দুষ্কর, নিয়মে চলা বড়ই কষ্টকর!’- অনুশাসন শব্দটা শুনলেই ‘মহব্বতে’ সিনেমার কথা মাথায় আসে। ওই কঠিন কলেজ লাইফ। দু’দণ্ড প্রাণ খুলে শ্বাস নেওয়ার জায়গা নেই। ছেলেবেলার ওই ছবির ছেলেগুলোর মতোই দম আটকে আসত শিল্পী প্রদীপ্ত কর্মকারের। বাবা, মা-এর এত বকাবুকি কি আর ভালো লাগে? দোলের সময় বাইরে যাবে না। এটায় না, ওটায় না- ধুর! ছেলেটা কি আর জানত, বড় হলে এই বাঁধন ছেড়ে বেরিয়েই সবচেয়ে বেশি পরাধীন লাগবে নিজেকে। ”নিজের কাজ করতে গেলেই এখন রাঙিয়ে উঠি। আলাদা করে দোল বলে কিছু আর মনে হয় না।” সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি আপলোড আর তাতে হাজার হাজার লাইক। এটাই এখন দোলের মোটিভ হয়ে গেছে। ”যখন ছোট ছিলাম, ভূতের মতো রং মাখতাম। কেউ চিনতেই পারত না। আর এখন তো সুন্দর করে রং লাগিয়ে ছবি তোলা। সাদা পাঞ্জাবি, সাদা বা হলুদ শাড়ি পরা। দোলটা এখন বড্ড সফিস্টিকেটেড হয়ে গেছে। যদিও শুধু অন্যদের কথা বলব না। আমরাও এখন এসবেই অভ্যস্ত হয়ে গেছি।”

আরও পড়ুন:  Maheshtala Body: ডোবা থেকে উদ্ধার পচা গলা দেহ

আনন্দ করার গণ্ডি কবে পেরিয়ে গেছে। এখন সময়ের জাঁতাকলে যন্ত্র হয়ে গেছি। বেঁচে থাকার জন্য এক রেখায় হেঁটে চলেছি রোজ। গত দু-তিন বছর আত্মীয়দের বাড়ি যাওয়া, বিভিন্ন শিল্পীর সঙ্গে দেখা করা। মিষ্টি খাওয়া। ”দোলটা কেমন যেন গুরুজনদের পায়ে আবির ছোঁয়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে।” এখনও ছোট কাউকে দেখলে নস্টালজিক হয়ে যাই। দোলের মধ্যে কতবার আমাদের পরীক্ষা পড়েছে। লুকিয়ে লুকিয়ে খেলতে যেতাম। তখন বিরক্ত লাগত এত্ত বকা। এখন কেমন ছন্নছাড়া। কেউ নেই বকার। যা-ই করি না কেন। ”রাস্তায় বের হলে বাচ্চাগুলোকে দেখি (বাইরের দিকে তাকিয়ে)। কি সুন্দর বেলুনে রং ভরে খেলছে। মুখে দুষ্টুমিগুলো লেগে থাকে ওদের- আমি দেখি। প্রত্যেক বছর দোল আসে। ওই দিনগুলো তো আর ফিরে আসবে না।

আরও পড়ুন:  Weather: হু হু করে নামছে পারদ! শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং কলকাতা-সহ বঙ্গে

Featured article

%d bloggers like this: