19 C
Kolkata

EXCLUSIVE: মনের রং পড়ে আছে শৈশবে, ভবতোষ সুতারের একান্ত সাক্ষাৎকার

শ্রাবণী পাল: স্মৃতি, রং- কিছুই নষ্ট হয় না। শুধু আবছা হয়ে যায় সময়ের সাথে সাথে। সরশুনার ভিতরে ক্ষুদিরাম পল্লিতে বাড়ি। তাঁর কথায় এখনও গ্রামের ছাপটাই বেশি। দোলের ঠিক আগের মুহূর্তে, নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছেন বিশিষ্ট শিল্পী ভবতোষ সুতার। একজন শিল্পীর মনে রঙের স্পর্শ ঠিক কতটা, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ থাকে না। কিন্তু নানা ব্যস্ততায় রং মাখা দোল আর খেলে ওঠা হয় না। গোটা বছরটাই যায় ব্যস্ততায়, এটা ওটা- একের পর এক অনুষ্ঠান তো লেগেই আছে। দোলকে আলাদা করে অনুভব করার সময় খুবই ক্ষীণ। তবুও যদি দোল বলা হয়, তবে তা শৈশবেই ছিল। তখন তো আর ঘড়ির সঙ্গে পাঞ্জা লড়ার অভ্যেসটা হয়ে ওঠেনি। হাফ প্যান্ট পরে কেউ রং লাগাতে এলে বাইরে বেরনোর সময় ছিল ঘড়িতে। এখনও তাজা রয়েছে স্মৃতি। শিল্পী রং ভাগ করার বিষয়ে ছিলেন খুবই কৃপণ। (ঠোঁটের পাশে আলতো হাসি) ”কেউ যদি রং দিতে আসত, আমি সেটা নিয়ে নিতাম। ঘরের একটা কোণায় গিয়ে নিজেই মাখতাম।” এই কৃপণতার যুক্তিও বড় যুক্তিযুক্ত। তাঁর মতে, ”এত সুন্দর জিনিসটা অন্যকে মাখিয়ে নষ্ট করব কেন?” পরে বাড়ির লোক যদিও দোলের নিয়মটা বুঝিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন:  Dengue Survivor: উদ্বেগ বাড়ছে ডেঙ্গু পর নতুন রোগ

এই যুগের দোলের সঙ্গে সেভাবে বোধ হয় খাপ খাইয়ে উঠতে পারেন না এখন। ‘পুষ্পে ভরা শাখী কুঞ্জে কুঞ্জে গাহে পাখি’- দোলের ঋতু পরিবর্তন বসতি এলাকার গাছপালা দেখেই মনে দোলা দেয়। সমাজের এই ‘উঠতি’ দোলের স্বাদ কোনওদিনই মনে ধরে না। নিজের কমিউনিটির মধ্যেই একাধিক প্রোগ্রাম থাকে। তাতেই সময় দিতে হয়। নিজের কাজে রং দিতে দিতে বাইরের রঙের কথা আর মাথায় থাকে না। (কপাল কুঁচকে) ”আমি বর্তমান যুগের দোল খেলার কোনও প্রাসঙ্গিকতাই খুঁজে পাই না। তবে অনেক সংগঠন এখন চেষ্টা করছে দোলের সম্প্রীতিটাকে ধরে রাখার। ”এই কিছুক্ষণ আগে আমায় একটা কার্ড দিয়ে গেল। বসন্ত উৎসব উদযাপনের। জিনিসটা বেশ ভালো লাগে। এখন আর সেই বয়সটাও নেই। সুস্থভাবে সবাই উৎসব পালন করুন এটাই চাইব।

আরও পড়ুন:  Santragachi Bridge: বড়দিনেই খুলছে সাঁতরাগাছি ব্রিজ

Featured article

%d bloggers like this: