24 C
Kolkata

Heritage Mamata Banerjee: বিশ্বশান্তির বার্তা দিয়ে ঘরের অশান্তি লুকনোর চেষ্টা?

শ্রাবণী পাল: বিশ্বস্তরে স্বীকৃত হয়েছে বাংলার দুর্গোৎসব। পুজোর আগেই একপ্রকার কার্নিভালের আয়োজন করল রাজ্য সরকার। উপস্থিত ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , ফিরহাদ, অরূপ, চন্দ্রিমা, শশী, সুদীপ, দেবাশিস, শোভনদেব সহ একাধিক মুখ। কিন্তু নজর কাড়ল ফাঁকা চেয়ারগুলো। এইদিন অনুষ্ঠান দেখলে মনে হবে তৃণমূলের ৫০ শতাংশ আমন্ত্রিত ছিল।

রাজনৈতিক কোনও বক্তব্য রাখেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশ্বশান্তির বার্তা দিয়ে কি ঘরের অশান্তি লুকোলেন তৃণমূল প্রতিষ্ঠাতা? আশ্চর্যজনকভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা কাছের মদন মিত্র ছিলেন না এত বড় পর্বে। ইদানিং বিতর্কে জড়ানো সৌগত রায়ও ছিলেন না অনুষ্ঠানে। অনুপস্থিত ছিলেন সব্যসাচী, অর্জুন সহ একাধিক। নেত্রীর পাশে জায়গা পেলেন রাজ চক্রবর্তী, জুন মালিয়া, ইন্দ্রনীল সেন, শ্রীতমা, সৌমিতৃষা, সোনামণি, সুভদ্রাদের।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই কার্নিভাল অন্য এক তৃণমূলের বার্তা দিয়ে গেল। যেন মনে হল এভাবেই ধীরে ধীরে বিরোধীদের অভিযোগ সত্য হচ্ছে। এই পথেই ভাঙছে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়া তৃণমূল কংগ্রেস অক্ষত নেই। পার্থ, অনুব্রতদের হেফাজতের কারণেই কী দলের সঙ্গে দূরত্ব? নাকি দূরত্বের কারণেই হাত ছাঁটাই হচ্ছে সুপ্রিমোর। বিরোধীদের অভিযোগ, কালো টাকা সাদা করতেই এই মিছিল-উৎসব। কমিটিগুলোকে সাদা কাগজে সই করানো হয়েছে। যাতে আর কেউ না ফাঁসে তাই তড়িঘড়ি টাকা খরচের সিদ্ধান্ত। দেবীর আগমনী বার্তা আগামী দিনে ঘাসফুলের হাওয়ার ইঙ্গিত কোনদিকে করে সেটাই দেখার।

আরও পড়ুন: 

Featured article

%d bloggers like this: