33 C
Kolkata

Madan Mitra Biography: ‘ও লাভলি’র জীবন কাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদন: তৃণমুলের রঙিন নেতা হিসাবে পরিচিত তিনি। তাঁর সমস্ত কাজকর্মের তিনি কখনও প্রশংসা করান আবার কখনও নেটিজেনদের কাছে হাস্যকর হয়ে ওঠেন। এতো কিছুর পরও তিনি কখনও নিজেকে থামিয়ে রাখেন নি কোনও কাজেই। তিনি একাধারে যেমন রাজনিতিবিদ ঠিক তেমনি অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়ার সেন্সেশন। তিনি যখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে আসেন তখনই নেটিজেনদের মনের উদ্বেগ অনেকাংশে বেড়ে যায়।

তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি

১৯৫৪ সালের ৩ ডিসেম্বর কলকাতার ভবানিপুরের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৭৩ সালে আশুতোষ কলেজের ছাত্র ইউনিয়ন থেকে প্রথম রাজনিতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৭৬ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৮ সালে তৃনমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর ২০০০ সালে সাধারন সম্পাদক হিসাবে নিযুক্ত হন। চার বছর তিনি তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।

বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ মদন

তিনি অর্চনা মিত্রের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তাঁদের দুই পুত্র সন্তান, স্বরুপ ও শুভরুপ মিত্র। তারপর থেকে তিনি খারাপ ভালো সমস্ত কিছুর সাথের মানিয়ে নিয়ে নিজের জীবন পরিচালনা করছেন তিনি।

আরও পড়ুন:  Terrorist: উৎসবের মরশুমে বানচাল নাশকতার ছক, উপত্যকায় নিকেশ পাকিস্তানি জঙ্গি
আরও পড়ুন:  #GardenReachScam: গার্ডেনরিচ কাণ্ডে তৃণমূল হেভিওয়েটদের নাম

বিভিন্ন রকমের অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি লক্ষণীয় থাকে সর্বদাই। তাঁর ফেসবুক হ্যান্ডেল ঘুরে আসলে সেই ছবি বা ভিডিও দেখতে পাবেন… তিনি কিন্তু নিয়মিত ফেসবুক লাইভে আছেন এবং আড্ডাও মারেন।

শুধু তাই নয় প্রতিটা অনুষ্ঠানেই তাঁকে আলাদা আলাদা মেজাজে দেখা যায়। কোথাও তিনি নাচেন আবার কোথাও গান গাইছেন। নানারুপে নানা মেজাজে থাকেন মদন।

তাঁকে তাঁর দলের সুপ্রিম রঙিন নেতা বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর এই রুপে দেখে তাঁর দল বা অনুরাগীরা বেজায় খুশি। তবে পুজোর নতুন অ্যালবাম নিয়ে তাঁর অনুরাগীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছে।

Featured article

%d bloggers like this: