28 C
Kolkata

Sajal Ghosh Exclusive: ‘তৃণমূলে ছিলাম, প্রায়শ্চিত্ত করছি’, কাট-টু-কাট সজল ঘোষ

শ্রাবণী পাল: ‘৫০ নম্বর ওয়ার্ডকে বাদ দিয়ে কিছু ভাবা যাবে না’- কেবিনে এই নিয়েই চলছিল আলোচনা। রাখী বন্ধন কীভাবে হবে তার দিক নির্দেশ করছিলেন বিজেপি মুখপাত্র সজল ঘোষ। গোলাপি জামা, মেজাজ রোজের মতোই ফুরফুরে। এদিক ওদিক না ঘুরিয়ে প্রথম প্রশ্নই ছিল টাটকা টপিক নিয়ে। স্বাধীন রাজ্যে এহেন দুর্নীতি কী কাম্য? প্রশ্নের মতো উত্তরও এলো স্ট্রেটকাট। ‘স্বাধীনতার পর কোনও রাজনীতিক দল বা মন্ত্রীর বাড়ি থেকে এত টাকা উদ্ধার হতে গোটা দেশ কোনও দিন দেখেনি। এই কামিনী যোগও একদম এক্সেপশন। রাজ্যের শিক্ষা-সংস্কৃতি আমাদের গর্ব ছিল। এরা মানুষ সহ সবকিছুর শেষ করে দিয়েছে।’ একদা তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়ে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। প্রসঙ্গ উঠতেই, হতাশার সুরে বলেন ‘জেলায় জেলায় গেলেই গঙ্গার ঘাট খুঁজি। ঘাটে ঘাটে গিয়ে প্রায়শ্চিত্ত করছি। এর জন্য যদি জনগণ আমায় শাস্তি দেয়, মাথা পেতে নেব।’

আরও পড়ুন:  Ahiritola Sarbojanin Durgotsab : খবরের কাগজের প্যান্ডেল বি.কে.পাল.পার্কের
আরও পড়ুন:  Kolkata: পথদুর্ঘটনায় মৃত স্থানীয় তৃণমূল নেতা

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেপ্তারি নিয়ে তরজা অব্যাহত। সজলবাবু মনে করেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন ২৯৪টা আসনে তিনিই মুখ। তৃণমূল কোনওদিনই দায় এড়াতে পারে না। আমি শুধু জানতে চাই ওটা কী ভাগ করে দেওয়ার পরের টাকা?’ বাম-কংগ্রেস প্রশ্ন তুলেছিল নীতি আয়োগের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগদান নিয়ে। সেটিং তত্ত্বের কথা উড়িয়ে সজলবাবু এইদিন বলেন, ‘যাঁরা শূন্যে আছেন তাঁরাই মানুষকে ভুলভাল বোঝাচ্ছেন। তাছাড়া মুখ্যমন্ত্রীর নাম নীতি আয়োগের স্পিকারের তালিকাতেও ছিল না। নরেন্দ্র মোদির পা ধরলেও কেউ বাঁচবে না।’ পাঁচ বছরে আড়াইশো শতাংশ সম্পত্তি বেড়েছে ১৯ জন নেতার। এই প্রসঙ্গে সজলবাবুর ভিন্ন মত রয়েছে। তিনি মনে করছেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তখনও রাজনীতিতে আসেননি। উনি চলে এলে রেকর্ড ভেঙে যেত।’ এই পরিস্থিতি কাটিয়ে আগামী দিনে রাজনৈতিক পরিণতি কী হতে পারে? সজলবাবুর মতে, ‘শাসক দলের আগামী দিনের ঠিকানা আলিপুরের প্রেসিডেন্সি জেল। সব মিটিং-মিছিল ওখানেই হবে। কেউ বাদ যাবে না। জেলে ভাত রেডি আছে।’

আরও পড়ুন:  Mamata Banerjee: পুজোয় নতুন অ্যালবামে কণ্ঠ, সুর, কথা মমতারই

Featured article

%d bloggers like this: