20 C
Kolkata

বার বার হাই ওঠে? তাহলে এক্ষুনি ডাক্টারের পরামর্শ নিন!

নিজস্ব প্রতিবেদন: বিশেষজ্ঞদের মতে যারা বারবার হাই তোলেন তাদের মধ্যে রোগের লক্ষন দেখা দিতে পারে। কী রোগ হতে পারে এই বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট খবর পাওয়া যায়নি। অনেকের মতে হাই তোলা ভেগাস নার্ভের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এই নার্ভ সোজা আমাদের মস্তিষ্ক থেকে বেরিয়ে হৃদযন্ত্রণ এবং পাকস্থলীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। অনেক সময় হার্টের ভেতরে রক্তক্ষরণ হলেও ঘন ঘন হাই ওঠে।

সাধারণত ক্লান্ত থাকলে বা অনেক সময়ে ঘুম থেকে উঠে আমরা লম্বা লম্বা হাই তুলে থাকি। তবে ঘনঘন হাই উঠলে এর পিছনে গভীর কোনও বিপদ লুকিয়ে থাকতে পারে। ঘনঘন হাই তোলা স্বাস্থ্যের পক্ষে একদম ভালো নয়। তাই অস্বাভাবিক হাই উঠলে দেরি না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে ওয়ার্ক আউট করতে করতে যাদের বারবার হাই ওঠে, তাঁদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি আছে। তাই হঠাত্‍ করে হাই ওঠার বেড়ে গেলে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে নেওয়া ভালো। দেখে নিন বারবার হাই উঠলে কী কী রোগের আশঙ্কা হতে পারে।

আরও পড়ুন:  মিড ডে মিল চেখে, ছাত্রছাত্রীদের ওজন এবং উচ্চতাও মাপলেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল !

◆লিভার সংক্রান্ত সমস্যা
কোনোরকম ক্লান্তি-অবসাদ ছাড়াই যখন হাই তোলার পরিমাণ বেড়ে যায় তখন চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে লিভারের টেস্ট করিয়ে নিন। পেটের নানা সমস্যায় হাই তোলার পরিমাণ অনেক সময় বেড়ে যায়।

◆মৃগীরোগ
মৃগীরোগের পূর্বাভাস দেয় ঘনঘন হাই তোলা। শরীরের মধ্যে চলতে থাকা নানা সমস্যার সঙ্কেত যায় মস্তিষ্কে ফলে ঘনঘন হাই উঠতে থাকে

◆মস্তিষ্কের সমস্যা
অনেক সময়ে স্ট্রোকের আগের অবস্থায় এমন ঘটনা ঘটে। মস্তিষ্কের কোষ বেশিমাত্রায় ক্ষতির মুখে পড়লে ঘনঘন হাই তোলার সমস্যা হয় বলে সাম্প্রতিক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে।

◆ধমনীর সমস্যা
অনেক সময়ে আমাদের শরীর দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়। সে সময়ে ঘনঘন হাই উঠতে থাকে। একে চিকিৎসা পরিভাষায় বলে ‘থার্মোরেগুলেটরি ডিসফাংশন’।

আরও পড়ুন:  মিড ডে মিল চেখে, ছাত্রছাত্রীদের ওজন এবং উচ্চতাও মাপলেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল !

◆ক্লান্তি
সারাদিনের দৌড়াদৌড়ির পরে ক্লান্তি আসাটা খুব স্বাভাবিক। সেকারণেও অনেক সময়ে ঘনঘন হাই উঠতে থাকে আমাদের। তবে সাবধান, বেশিদিন এই সমস্যা চললে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

◆ঘুমের ব্যাঘাত
ঘুমের সমস্যা থাকলে বা ঘুম কম হলে ঘনঘন হাই উঠতে থাকে। যদি দেখেন এই সমস্য়া কমছে না, ঘুমও ভালো করে হচ্ছে না, তাহলে নিদ্রাহীনতার সমস্য়া বুঝে চিকিৎসকের কাছে যান।

◆ওষুধ খাওয়া
অনেক সময়ে বেশি ওষুধ খেলেও আমাদের ক্লান্তি বেড়ে যায় ও হাই উঠতে থাকে। কোনও ওষুধ আপনার শরীরের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে না বুঝলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Featured article

%d bloggers like this: