25 C
Kolkata

৫ রাজ্যকে চিঠি কেন্দ্রের

নিজস্ব সংবাদদাতা : তবে কি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ যা আছড়ে পড়তে চলেছে? রবিবার ভারতে ১৪ হাজারেরও মানুষের নতুন করে করোনভাইরাসে আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে, যা দেশব্যাপী ১১ কোটির সংখ্যা ছাড়িয়েছে। এদিকে, গত ২৪ ঘন্টা কমপক্ষে আরও ৮০ জন রোগী মারা গিয়ে মৃতের সংখ্যা ১,৫৬,৪৪২ জন।

কেরালা এবং মহারাষ্ট্র, এই দুটি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ রাজ্য। কেন্দ্রীয় সরকার সংশ্লিষ্ট পাঁচটি রাজ্যকে চিঠি দিয়ে পুরো বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেছে। একই সঙ্গে প্রাথমিকভাবে রোগের বিস্তার ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানো পরামর্শ দিয়েছে। মন্ত্রকের মতে দেশে মোট সক্রিয় কেসলোডের ৭৪ শতাংশেরই কেরল ও মহারাষ্ট্র থেকে।

এই দুটি রাজ্য ছাড়াও ছত্তিশগড়, মধ্য প্রদেশেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটা বেশি বলেও দাবি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাশাপাশি পঞ্জাব ও জম্মু ও কাশ্মীরে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে , আরটি-পিসিআর পরীক্ষার অনুপাত বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিকে মনোনিবেশ করতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:  কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে চালু হচ্ছে বাংলার দ্বিতীয় প্রাইভেট কেবিন পরিষেবা

সমস্ত নেতিবাচক ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ফলাফলগুলি বাধ্যতামূলকভাবে আরটি পিসিআর পরীক্ষার সঙ্গে অনুসরণ করা উচিত্। যাতে প্রাথমিক নেচিবাচক ফলাফল কোনও ক্ষেত্রে নজর এড়িয়ে না যেতে পারে। নির্বাচিত জেলাগুলিতে কঠোর ও ব্যাপক নজরদারি চালানোর কথা বলা হয়েছে।

কঠোর নিয়ন্ত্রণের দিকেও জোর দেওয়া হয়েছে। জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে মিউট্যান্ট স্ট্রেনগুলির নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পাশাপাশি মামলার উদীয়মান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

যেসব জেলাগুলিতে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে সেগুলির ক্লিনিক্যাল ব্যবস্থার দিকে নজর রাখতে হবে।

Featured article

%d bloggers like this: