21 C
Kolkata

Shraddha Walker Murder Case: শ্রদ্ধা খুনে অভিযুক্তর শাস্তির আশ্বাস শাহের

নয়াদিল্লি: শ্রদ্ধা ওয়াকার হত্যাকাণ্ডের তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই যেন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে আধিকারিকদের হাতে। জানা গিয়েছে, ২৩ নভেম্বর ২০২০ তে মহারাষ্ট্রের ভাসাই এলাকার লোকাল একটি থানার অভিযোগ লিখিত আকারে জমা দিয়েছিলেন শ্রদ্ধা। তিনি আফতাবের থেকে খুনের হুমকি পেয়েছেন এই বিষয়টি পুলিশকে
জানিয়েছিলেন। চিঠিটির গোটা বয়ান সামনে এসেছে। মামলা রুজু হওয়া সত্ত্বেও কেন সেই সময় পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি? সেই উত্তর চেয়েচে মহারাষ্ট্র সরকার। ইতিমধ্যে এই বিষয়েও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই চিঠির তথ্য সামনে আসতেই প্রশ্ন তুলেছেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। অন্যদিকে দোষীর শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি স্পষ্ট জানান, ‘শ্রদ্ধাকে যেই খুন করেছে, অপরাধীর শাস্তি হবেই।’

অন্যদিকে, ওই রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী আঙুল তুলেছেন পুলিশের দিকেই। ফড়নবীশের স্পষ্ট কথা, ২০২০ সালে যখন আফতাবের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল, পুলিশ কেন পদক্ষেপ নেয়নি? যদি সেই সময় তারা দায়িত্বজ্ঞানহীনতা না দেখিয়ে কাজ করতেন, আজ মেয়েটা বেঁচে যেত।

আরও পড়ুন:  Rajasthan: সাতসকালে ভরা রাস্তায় একের পর এক গুলি! বাড়ির সামনেই কুখ্যাত গ্যাংস্টার রাজু থেটকে খুন

২০২০ সালে পুলিশকে দেওয়া চিঠিতে কী লিখেছিলেন শ্রদ্ধা? পড়ুন: ‘আজ ও আমায় মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল। প্রায়শই আমাকে খুন করে টুকরো টুকরো করে ফেলার হুমকি দেয় আফতাব। বিগত ছয় মাস ও আমার উপর শারীরিক নির্যাতন চালাচ্ছে। আমি পুলিশে যাওয়ার সাহস পাইনি। গেলেই বলেছিল মেরে ফেলবে। ওর পরিবার আমাদের সম্পর্ক, একসঙ্গে থাকা এমনকী মারধরের বিষয়ে সবটা জানে। কিছুদিনের মধ্যে ওর পরিবারের আশীর্বাদ নিয়ে আমরা বিয়েও করব। কিন্তু আমি ওর সঙ্গে থাকার সাহস পাচ্ছি না। আমি জানি, থাকলেই শারীরিক নির্যাতন বাড়বে। কিন্তু ও বলেছেন, আমি যদি সম্পর্কে শেষ করি তবে আমায় যেখানে দেখবে সেখানেই খুন করে ফেলবে।’ এর কিছুদিন পর শ্রদ্ধা পুলিশকে আরও একটি চিঠি দেন। তাতে লিখেছিলেন, ‘আপাতত আমাদের মধ্যে আর কোনও অশান্তি নেই।’ কিন্তু কি কারনে হঠাৎ শ্রদ্ধা এই কথা লিখেছিলেন? অনুমান ১) হয় আফতাবকে পুলিশ ডেকে পাঠিয়েছিল। যার জেরে আতঙ্কে কিছুদিন আফতাব ঠিক ছিল। অনুমান ২) চিঠির কথা জানতে পেরে শ্রদ্ধাকে পরবর্তী চিঠিতে মীমাংসার বিষয় লিখতে সে বাধ্য করে।
উল্লেখ্য, ২০১৮-র শেষ অথবা ২০১৯ সালে একটি ডেটিং অ্যাপে পরিচয় দু’জনের। তখন মুম্বইয়ের একটি মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানির কল সেন্টারে কর্মরত তারা। সেখানেও লিভ ইনে থাকতেন দু’জন। তবে কবে থেকে একসঙ্গে থাকা শুরু সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট জানা যায়নি। আফতাব মাদকাসক্ত ছিল কি না সেই বিষয়ক পলিগ্রাফি পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও পুলিশের হাতে এসে পৌঁছয়নি। সাকেত আদালত মঙ্গলবার থেকে চারদিনের পুলিশি হেফাজত বর্ধিত করার নির্দেশ দিয়েছে।

আরও পড়ুন:  Suicide: বিয়ে বাড়িতে নাচ করেছেন স্বামী! রাগের বশে সন্তানকে খুন করে আত্মহত্যা স্ত্রীয়ের

Featured article

%d bloggers like this: