29 C
Kolkata

খুঁচিয়ে বের করা হচ্ছে পুরোনো কাসুন্দি

নিজস্ব প্রতিবেদন: ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে দেশের এক বৃহত্তম কেলেঙ্কারির সব অভিযুক্তকে নির্দোষ রায় দিয়ে খালাস করে দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্টের বিশেষ সিবিআই আদালত। সেই রায় নিয়ে নাখুশ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। নতুন করে ২জি কেলেঙ্কারি মামলায় দিল্লি হাই কোর্টে আবেদন করল সিবিআই। সেই আবেদনের নিয়মিত শুনানির দাবি জানাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের দাবি এই মামলার সাথে জড়িয়ে গোটা দেশের স্বার্থ। এমনকি আন্তর্জাতিক মহলও তাকিয়ে এই মামলার দিকে তাই এর দ্রুত শুনানি এবং নিস্পত্তি একান্ত কাম্য।

প্রায় ১ লক্ষ ৭৬ হাজার কোটি টাকার এই ২জি কেলেঙ্কারি ইউপিএ আমলে দেশজুড়ে প্রবল চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। দুর্নীতিতে নাম জড়ায় একের পর এক রাজনৈতিক মহারথীদের। তৎকালীন মনমোহন সিং সরকারের আমলে ঘটা এই দুর্নীতি নিয়ে ২০১১ সালে মামলা শুরু হয়।

আরও পড়ুন:  Modi-Mamata: দিল্লিতে দাঁড়িয়েই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি
আরও পড়ুন:  Local Train: লোকাল ট্রেনে এবার যাত্রীদের সফরসঙ্গী ষাঁড়!

এ রাজা ও কানিমোঝি-সহ একাধিক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট ফাইল করে সিবিআই। কিন্তু দীর্ঘ তদন্তপ্রক্রিয়া শেষেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ পেশ করতে পারেনি ইডি বা সিবিআই, যার জেরে ২০১৭ সালে আদালত তিনটে মামলায় ১৬ অভিযুক্তকেই বেকসুর খালাস করে দেয়। বিশেষ সিবিআই আদালত সাফ জানিয়ে দেয় ২জি স্পেকট্রাম বণ্টনে কোনও দুর্নীতি হয়নি। যদিও সিবিআই সেই রায়ের বিরুদ্ধে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন মামলায় কোনও অগ্রগতি নেই। সেকারণেই ফের প্রতিদিন মামলার শুনানি চেয়ে আবেদন করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

বিরোধী শিবিরের বক্তব্য নরেন্দ্র মোদী সরকার একসাথে সমস্ত বিরোধী দলের ওপর কেন্দ্রীয় সংস্থাকে কাজে লাগাচ্ছে। দিল্লিতে কংগ্রেসের ওপর ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা বা পশ্চিম বাংলায় এসএসসি মামলা যথেষ্ট নয়। মুম্বইতে শিবসেনার নেতা সঞ্জয় রাউতকেও গ্রেপ্তার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সর্বশেষ হাতিয়ার ২জি মামলাটিও খুঁচিয়ে তোলা হল।

আরও পড়ুন:  Raksha Bandhan: রাখিবন্ধন উপলক্ষে মহিলাদের জন্য বড় ঘোষণা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর

Featured article