28 C
Kolkata

BUS RUSH CHILD DEATH: বেপরোয়া বাস চালক, প্রাণ গেল ছোট্ট সিদ্ধার্থর

গুরগাঁও: মর্গের বাইরে বসে বাবা। ভেতরে ছোট্ট ছেলেটা। প্রাণ নেই। ঠাণ্ডা শরীর। শক্ত। এই দৃশ্য কোনও বাবা-মা’ই যে চায় না। কিন্তু এই দিনও দেখতে হল গুলশন সিংহকে। চার বছরের ফুটফুটে প্রাণটা অকালে ঝরে গেল। এইতো সেদিন বাবা ডাকতে শিখল। সেই কোলেই নিথর হয়ে শুয়ে পড়ল। আর উঠল না। ডাকবে না। লোয়ার নার্সারিতে ভর্তি হয়েছিল গুরগাঁওর সিদ্ধার্থ সিংহ। স্কুলবাসে করে যাতায়াত করত। যেমন আর সব বাচ্চাগুলো যায়-আসে। সোমবার সবকিছু শেষ হয়ে গেল। ৫ এপ্রিল স্কুলে ভর্তি হয়েছিল সিদ্ধার্থ। প্রতিদিনের মতো স্কুল থেকে সিদ্ধার্থকে বাড়িতে ছাড়ে বাস চালক। বাস থেকে প্রতিদিন নামিয়েও দেয়। খেলতে খেলতে বাড়ি ঢোকে সিদ্ধার্থ। কিন্তু এইদিন যে ছেলেটার আর ফেরা হল না। বাস থেকে সিদ্ধার্থ নামতেই বাস চালিয়ে দিল চালক। শরীরটার উপর দিয়ে চলে গেল চারটে চাকা। রক্তাক্ত হয়ে গেল শরীরটা। চিৎকারে বাড়ির লোক ছুটে আসে রাস্তায়।

আরও পড়ুন:  ১ অক্টোবর থেকে বদলে যাচ্ছে এই ৮ নিয়ম! কতটা চাপ বাড়বে পকেটে ?
আরও পড়ুন:  গেহলট বনাম পাইলট, কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী ? সোমেই সিদ্ধান্ত নেবে শীর্ষ নেতৃত্ব

গুলশন সিংহ (সিদ্ধার্থর বাবা) জানান, ছেলের প্রাণ ছিল তখনও। তারপর ওকে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় সিদ্ধার্থের। সিদ্ধার্থ নিজের মুখে বলে, ”আমি ঠিক আছি পাপা। বাড়ি যাব। একটু দল দেবে।” ওই শেষ। তিনদিন হয়ে গেল। ছেলেটার আর কোনও সাড়াশব্দ নেই। মর্গে ছেলের দেহ নিতে পরদিন আসেন বাবা। ওই মুখটা কি আর ভোলা যায়। বারবার ফোন দেখছেন গুলশনবাবু। কাঁদছেন অঝরে। বলছেন, ”এত কিসের তাড়া ছিল চালকের? দু’মিনিটের তাড়ার জন্য আমার ছেলেটার জীবন চলে গেল।” তিনি আরও জানান, ছেলে আগেও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কথা বলেছিল। স্কুল কর্তৃপক্ষকে গাড়িতে অ্যাটেনড্যান্ট দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা সে কথা শোনেননি। ইতিমধ্যেই চালক এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মৃত ওই শিশুর পিতা।

আরও পড়ুন:  Murder: ১৬ বছরের বালককে খুন সহপাঠীর

Featured article

%d bloggers like this: