27 C
Kolkata

বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড, বন্ধ উদ্ধারকাজ

নিজস্ব সংবাদদাতা : উত্তরাখন্ড বিপর্যয়ের পর রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার- এই সময়ে প্রাণ বাঁচানোর অক্লান্ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন আইটিবিপি, সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ-এর যৌথ বাহিনী। কিন্তু, বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত খোঁজ পাওয়া যায়নি ২০৪ জনের।

পাশাপাশি চামোলি জেলার বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৩৫। তপোবন সুড়ঙ্গে যাঁরা আটকে রয়েছেন তাঁদেরও খোঁজ নেই। সবচেয়ে বেশি আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এই তপোবন বিদ্যুত্‍প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারের বিষয়টি নিয়ে।

উত্তরাখণ্ডের ডিজিপি অশোক কুমার জানিয়েছেন, ৩৫ জনের মধ্যে ১০ জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ৭২ ঘন্টারও বেশি সময় অতিক্রান্ত, এখনও পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকতেই বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের।

সুড়ঙ্গের মুখ কাদা, পাথরে আটকে রয়েছে। উদ্ধারকারী দল সূত্রে জানানো হয়েছে, সুড়ঙ্গের ভিতরে বড় বড় পাথর আটকে থাকায় সেগুলো পরিষ্কার করে ভিতরের দিকে ঢুকতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তার উপর ড্রিল করার সময় মেশিন ভেঙে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ বিঘ্নিত হয়েছে।

আরও পড়ুন:  Mallikarjun Kharge: কংগ্রেস সভাপতি পদে লড়বেন মল্লিকার্জুন খাড়গে? তুঙ্গে জল্পনা
আরও পড়ুন:  Science India: বিজ্ঞান সংক্রান্ত একাধিক পুরস্কার বন্ধ করছে কেন্দ্র

এর মধ্যে পাহাড়ী নদীর জল ঢুকে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেল সুরঙ্গের পথ। আটকে পড়লেন উদ্ধারকারীরাই।জানা গিয়েছে, এদিন বন্ধ সুরঙ্গে প্রায় ৩০ জন শ্রমিক আটকে ছিল। তাঁদের উদ্ধার করতেই সুরঙ্গে নামে জাতীয় বিপর্যয়ে মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা।

অলকানন্দা নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলেই সমস্ত সুরঙ্গে জল ঢুকে গেছে বলেই এই বিপত্তি ঘটে। তবে সুরঙ্গের ভেতর জলস্তর কমলই উদ্ধার কাজ পুনরায় চালু হবে বলে জানানও হয়েছে প্রশাসন সূত্রে।

তবে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয় উদ্ধারকারী দলের পক্ষ থেকে। নদী ও সুরঙ্গের মুখ একসঙ্গে মিলে যাওয়ায় উদ্ধারকাজ বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

Featured article

%d bloggers like this: