28 C
Kolkata

চীনের বিমান লঙ্ঘন করল দেশের আকাশ

নয়াদিল্লি: দিন দিন বেড়ে চলেছে চীনের আস্ফালন। বর্তমানে তাইওয়ানে মার্কিন স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির সফরের পরেই সামরিক মহড়া শুরু করেছে লাল ফৌজের দেশ। তাইওয়ানের ছয় দিকে তৈরী হয়েছে মহড়া অঞ্চল, যার কিছু অংশ তাইওয়ানের ভৌগোলিক অঞ্চলের অন্তর্গত। চীনের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র জাপানের কাছেই উড়ে যায়। তাতেও ক্ষান্ত নয় কমিউনিস্ট দেশটি।

ভারতের সাথে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা আবার লঙ্ঘন করছে চীন, এমনটাই অভিযোগ উঠে আসছে। পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তি ফিরে আসবে, এ ব্যাপারে ভারতের সঙ্গে একমত হয়েছে চীন। নিয়ন্ত্রণরেখা তথা এলএসি থেকে পুরোপুরি সেনা ডিসএনগেজমেন্ট ও সেনার ডিএসক্যালেশন-নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে বৈঠকও হয়। তবুও চীনের লালফৌজ পুরোপুরি সরে যায়নি। এর পরেও পূর্ব লাদাখে ভারতের আকাশসীমায় চীন যুদ্ধবিমান ও ড্রোন ঘরে বেড়াতে দেখা যায়। এ নিয়ে ভারতীয় বায়ুসেনা চীনকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছে।

সেনা সূত্র বলছে, পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি এলাকায় চীনের এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম মোতায়েন করা হয়েছে। সেখানেও চলছে যুদ্ধাস্ত্র ও যুদ্ধবিমানের মহড়া। সেই মহড়াই ভারতীয় সীমান্তের দিকে চালনা করেছে। রাডারেও ধরা পড়ে ভারতীয় আকাশসীমায় যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি। চুক্তি অনুযায়ী, এলএসি-র ১০ কিলোমিটারের মধ্যে দু’দেশের আকাশযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেই নিষেধাজ্ঞা মানছে না চীন , এই বলেই অভিযোগ করছে ভারতের।

আরও পড়ুন:  হিজাব বিতর্কে মৃত ২৬ জানালো ইরানের জাতীয় টিভি

এই ছায়া যুদ্ধ কিন্তু বেশ কিছুদিন আগেই শুরু হয়েছে। ২০২০সাল থেকেই পিপলস লিবারেশন আর্মি দলে দলে চীন – ভারত সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় মোতায়েন করা শুরু করেছিল চীন। ১৫ জুনের গালওয়ানে হাতাহাতি সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে দুই দেশের সেনা। তারপরেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়তে থাকে। সীমান্তের কাছেই মোতায়েন করে অনেক যুদ্ধ বিমান। বর্তমান পরিস্থিতি, উপগ্রহ চিত্রতে দেখা গেছে চীনাদের দিকে অস্থায়ী ছাউনি, সেনা সংখ্যা। তৈরী করেছে সামরিক ঘাঁটিও। এই নিয়ে পরিবেশ যথেষ্টই থমথমে।

আরও পড়ুন:  হিজাব বিতর্কে মৃত ২৬ জানালো ইরানের জাতীয় টিভি

এর আগেও পূর্ব লাদাখে বহুবার হয়েছে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা ।সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে বৈঠকের পরে তার সমাধানও করা গেছে। তবে গালওয়ানের মুখোমুখি সংঘাতের পরে সীমান্ত পরিস্থিতি চরমে ওঠে। দফায় দফায় বৈঠকেও শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি । প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ভারতীয় প্রতিরক্ষা সূত্র জানাচ্ছে, উত্তর ও দক্ষিণ প্যাঙ্গং লেক ও তার সংলগ্ন পাহাড়ি খাঁজ থেকে লাল সেনা সরেছে ঠিকই, তবে অন্যদিকে গোগরা, হট স্প্রিং, দেপসাং ভ্যালিতে নতুন করে সেনা মোতায়েন শুরু করেছে পিপলস লিবারেশন আর্মি। অস্ত্রসস্ত্রও মজুত হচ্ছে। নতুন করে অধিকারের সীমা লঙ্ঘন করে ভারতীয় নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় চিনের ফৌজ যে হামলা চালাতে পারে, সে সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন:  বাকবিতণ্ডায় ভারত-পাকিস্তান
আরও পড়ুন:  Amit Shah: ‘বিজেপির সঙ্গে প্রতারণা করেছেন নীতীশ কুমার’

Related posts:

Featured article

%d bloggers like this: