23 C
Kolkata

Snowfall: নির্দিষ্ট সময়ের আগেই তুষারপাত,রেকর্ড পর্যটক সংখ্যা, আশায় বুক বাঁধছে ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদন: নির্দিষ্ট সময়ের আগেই তুষারপাত। তুষারপাতের জেরে মধ্য নভেম্বরেরই সাদা বরফের চাদরে মুখ ঢেকেছে হিমাচল প্রদেশ। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর একটু আগেই শীতে এসেছে পাহাড়ে। এদিকে, পাহাড় দেখতে গিয়ে বরফের দেখা পেয়ে আনন্দে আত্মহারা পর্যটকরা। ইতিমধ্যে ৩ গুণ বেশি পর্যটক এসেছে সিমলা, কুলু, মানালি সহ সমগ্র হিমাচল প্রদেশে। যা রেকর্ড। স্বাভাবিকভাবেই আশায় বুক বাঁধছে ব্যবসায়ীরা পর্যটন ব্যবসায়ীরা। নির্দিষ্ট সময়ের আগে তুষারপাত শুরু হওয়া এর অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

পর্যটন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ১ কোটি ২৮ লক্ষ পর্যটক হিমাচল প্রদেশে এসেছে। যার মধ্যে কেবল বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা ২৮ হাজার ২৩২। হিমাচল প্রদেশের পর্যটন দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গতবছর ৪১ লক্ষ পর্যটক এসেছিল হিমাচলে। যার মধ্যে জুনে পর্যটকের সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ, ২০ লক্ষ ৬৩ হাজার।

আরও পড়ুন:  নির্বাচনের প্রাক্কালে দল ভারী BJP-র, পদ্ম শিবিরে যোগ ৩ প্রাক্তন আপ নেতার

অন্যদিকে, পর্যটনের মরশুম, জানুয়ারিতেই পর্যটকের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে কম, মাত্র ৭ লক্ষ ৬৯ হাজার। আবার ২০২০ সালে ৮১ শতাংশ পর্যটনের ঘাটতি ছিল। ২০১৯ সালে যেখানে পর্যটকের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৭২ লক্ষ, সেখানে ২০২০ সালে পর্যটক এসেছিল মাত্র ৩২ লক্ষ ১৩ হাজার। ২০২১ সালে সেই সংখ্যা কিছুটা বেড়ে দাঁড়ায়, ৫৬ লক্ষ ৩৭ হাজারে। স্বাভাবিকভাবেই বলা যায়, চরম ঘাটতি ছিল গত বছরের হিমাচল প্রদেশের পর্যটন ব্যবসায়। তবে গত বছরের সেই ঘাটতি এবছর ইতিমধ্যে পূরণ হয়ে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এবছর ইতিমধ্যে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক ভিড় করেছে জানিয়ে হিমাচল প্রদেশের পর্যটন দপ্তরের পর্যটন অধিকর্তা অমিত কাশ্যপ বলেন, ‘কোভিড-১৯-এর সময়কালে ঘরবন্দি থাকা মানুষ এখন উদ্যমের সঙ্গে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। বছরের শেষে, পর্যটন মরশুমের প্রধান সময়, নভেম্বর-ডিসেম্বরে পর্যটকের সংখ্যা রেকর্ড হবে।, অতিরিক্ত তুষারপাত পর্যটক বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বলেও মনে করেন তিনি। এবছর বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে তাঁর দাবি।

আরও পড়ুন:  Cyclone: ফের ঝড়ের মুখে বঙ্গোপসাগরে

Featured article

%d bloggers like this: