19 C
Kolkata

Pegasus: কেন্দ্রকে ‘পেগাসাস’ চাপ তৃণমূলের

নিজস্ব সংবাদদাতা: বাজেট অধিবেশনে বিরোধীদের বড় ইস্যু হতে পারে পেগাসাস, এই আন্দাজ আগেই করা গিয়েছিল। কিন্তু এবার সরাসরি লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিল তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। এর আগে সিপিএমের বিনয় বিশ্বাস নোটিস দিয়েছেন রাজ্যসভায়। মূলত, গতকালই পেগাসাস ইস্যু নিয়ে কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়িয়েছেন রাহুল গান্ধী। ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর একটি প্রতিবেদন তুলে কেন্দ্রকে আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি।

কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস এবং সিপিআইয়ের পক্ষ থেকে নেতৃত্বরা এবার সরব হয়েছেন লোকসভায়। কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠিতে লিখেছেন, ”বারবার সংসদে দাঁড়িয়ে দাবি করা হয়েছে যে কেন্দ্র কোনও রকমের স্পাইওয়্যার কেনেইনি। কিন্তু অন্য তথ্য দিয়েছে একটি ইংরেজি প্রতিবেদন। মোদী সরকার দেশের জনতাকে, সুপ্রিম কোর্টকে, এমনকি পার্লামেন্টেও মিথ্যে বলেছে।” তাঁর আর্জি, ”ইচ্ছাকৃতভাবে লোকসভাকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ এনে তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিশেষাধিকার প্রস্তাব আনা হোক।” তিনটে দলেরই বক্তব্য, ”কেন্দ্র বারবার সংসদে দাঁড়িয়ে পেগেসাস সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছে। এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে।”

আরও পড়ুন:  Assembly : ভাঙ্গন নিয়ে সর্বদলীয় দল দিল্লি পাঠানো হোক, বিধানসভায় প্রস্তাব

রবিবার ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০১৭ সালে ইজরায়েলের একটি সংস্থা থেকে স্পাইওয়্যার কিনেছিল ভারত। ওই বছরই জুলাই মাসে মোদী সরকারের সঙ্গে ‘প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি’ স্বাক্ষরও করা হয়েছিল। তবে কেন শুধুমাত্র ‘জাতীয় নিরাপত্তা’র যুক্তি দিয়ে এই পেগেসাস ইস্যু এড়িয়ে গিয়েছিল? এই নিয়ে সুর চড়াচ্ছেন বিরোধীরা। রবিবার রাহুল গান্ধী লিখেছেন, ”গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, জনসাধারণ এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলির উপর গোয়েন্দাগিরি চালানোর জন্য মোদী সরকার পেগাসাস কিনেছে। সরকারী কর্মকর্তা, বিরোধী দলনেতা, সশস্ত্র বাহিনী, বিচারবিভাগ প্রত্যেকেই এই ফোন ট্যাপিংয়ের ফাঁদে পড়েছেন।”

আরও পড়ুন:  Shoot Out: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের! ফের তৃণমূল নেতাকে লক্ষ করে চলল গুলি

Featured article

%d bloggers like this: