29 C
Kolkata

আগ্রাসী চীনের আক্রমণ রুখতে কি প্রস্তুত বাকি দেশ?

বেজিং: সারা বিশ্বে এখন রাশিয়া ইউক্রেন সমেত ২০ টির বেশি দেশ যুদ্ধরত। এছাড়াও রয়েছে সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। এশিয়াতেও পড়েছে সেই যুদ্ধের কালো ছায়া। ইরাক, মায়ানমার, আফগানিস্তান, তাজাকিস্তান এমনকি ভারতও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছে।

Conflict regions in the world

করোনা পরবর্তিকালে বিশ্ব অর্থনীতি একদম তলানিতে। সেই অবস্থায় সমস্ত ক্ষমতাসীন দেশ নিজেদের আধিপত্য কায়েম করার জন্য তৎপর হয়েছে। এশিয়া মহাদেশ অন্তর্গত রাশিয়া মরণপণ করে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে। অপরদিকে চীনও বেশ তৎপর। তারা নিজেদের সীমান্ত বরাবর সমরাস্ত্র মজুত করে রাখছে।

এরকম অবস্থায় বিতর্ক বাড়লো যখন মার্কিন হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফরে আসেন। যদিও তাইওয়ানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরকারিভাবে কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তবু সামরিক দিক থেকে ‘আত্মরক্ষার’ জন্য মার্কিন সাহায্য পায় দ্বীপ রাষ্ট্রটি। সুতরাং পেলোসির সফর যে চীন ভালো চোখে দেখছেনা, তা বলাইবাহুল্য।

আরও পড়ুন:  এক চীন নীতি মেনে নিল বাংলাদেশ

পেলোসি তাইওয়ান ছেড়ে চলে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চীন সেনারা আস্ফালন শুরু করে দিলো। সূত্রের খবর, লাল ফৌজ তাইওয়ান কে ঘিরে শুরু করছে যুদ্ধ মহড়া।২৭টি চীনা বিমান চক্কর কাটছে। তাইওয়ানের ওপর চীন বিদেশ এবং প্রতিরক্ষা দপ্তর লাগাতার যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। আগের ঘোষণা মতই, তাইওয়ানের চারদিকে ৬টি এলাকায় তারা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মহড়া চালাবে। তবে সামরিক মহড়া শুরু হওয়ার আগেই তাইওয়ানের আকাশসীমায় ঢুকেছে ঝাঁকে ঝাঁকে চিনা যুদ্ধবিমান। তাইওয়ান প্রণালীকে বিপজ্জনকও ঘোষণা করেছে বেজিং। তাহলে কি যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে দিলো চীন?

আরও পড়ুন:  হাজার রকেটের হামলায় মৃত প্রায় ৫১

চীনের এই সামরিক মহড়া বিশ্বে এক নতুন সংকট তৈরি করতে পারে। উদ্বেগ বাড়ছে, যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হবে কিনা সে নিয়ে । যে ৬টি এলাকায় মহড়া চালাবে তার তিনটি পড়েছে তাইওয়ানের উপকুল থেকে ১২ মাইল সমুদ্রসীমার ভেতরে। এর অর্থ হল, তাইওয়ানের আকাশ ও সমুদ্রসীমার নিয়ম লঙ্ঘন করেই সামরিক মহড়া চালাবে চীন। যদি ১২মাইল জলসীমার ভেতরে চীনের রণতরী বা যুদ্ধবিমান ঢোকে তাহলে তাইওয়ান একে আগ্রাসন হিসেবেই ধরবে। কাজেই তারাও প্রত্যাঘাতের জন্য চেষ্টা করবে, এটাই ধরে নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:  মিসাইল ম্যানের রহস্য মৃত্যু
Source: Kyodo

আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই হয়ত তাইওয়ান দখলের চেষ্টা নাও করতে পারে চিন। কারণ তাইওয়ানে চিনা গতিবিধির দিকে সতর্ক নজর রেখেছে আমেরিকা চিনের উপকূল থেকে প্রায় ১০০ মাইল দূরে থাকা তাইওয়ানকে ঘিরে রয়েছে চীন ও আমেরিকার যুদ্ধজাহাজ। বর্তমানে মার্কিন স্পিকারের তাইওয়ান সফর ঘিরে সক্রিয় হয়েছে চীনা রণতরীগুলি। তাইওয়ানের প্রায় সব বন্দর তারা ঘিরে ফেলেছে।

আরও পড়ুন:  জাপানে আঘাত হানলো চীনা ক্ষেপণাস্ত্র

Featured article