29 C
Kolkata

নোবেলজয়ীর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

ঢাকা: বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ মহ: ইউনুস ২০০৬ সালে পেয়েছিলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার। তিনি মাইক্রোফিনান্স নিয়ে কাজ করে, নিম্নবৃত্ত মানুষদের ওপরে উঠে আস্তে সাহায্য করবে বলে বুঝেছিলেন। তবে সেই অর্থনীতির কারণেই তদন্ত কমিটি বসছে ওঁর বিরুদ্ধে। বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থা চালু করেন মহম্মদ ইউনুস। গ্রামীণ টেলিকমের মাধতোমে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও মজবুত করেছেন ইউনুস বলেও মনে করেন অনেকে।

এই দুই প্রতিষ্ঠানেই বিস্তর আর্থিক কেলঙ্কারি হয়েছে বলে অভিযোগ। তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে, বেআইনিভাবে শ্রমিক ও কর্মীদের মধ্যে বণ্টনের জন্য সংরক্ষিত লভ্যাংশের বেশ কিছুটা লোপাট। শুধু তাই নয়, শ্রমিক-কর্মচারীদের পাওনা পরিশোধের সময় অবৈধভাবে আইনজীবীর ফি-সহ অন্যান্য ফিয়ের নামে ছয় অর্থ নয়ছয় হয়েছে বলেও অভিযোগ। গ্রামীণ টেলিকম থেকে ২ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তরও করা আহয়েছে। শ্রমিকদের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ-সহ এসব অভিযোগ জানিয়ে কমিশনকে চিঠি দেয় শ্রমমন্ত্রকের অধীনস্থ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:  Russia Ukraine war : যুদ্ধের মাঝেই বিবাহ সারলেন রাশিয়া ইউক্রেনের যুগল

এদিকে, সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করেছে ইউনূস সেন্টার। তাদের দাবি, পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা নিতান্তই কল্পনাপ্রসূত। তিনি নিয়মিত কর রিটার্ন জমা দেন ও পরিশোধ করেন। গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি হিসাবে বেতনের বাইরে তিনি কোন অর্থ গ্রহণ করেননি। তার আয়ের মূল উৎস হলো ভাষণের উচ্চ ফি, বইয়ের রয়্যালটি ও স্থায়ী আমানতের আয়।

আরও পড়ুন:  Bangladesh: জ্বালানির লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি, প্রতিবাদে জনবিক্ষোভ বাংলাদেশে

Featured article