28 C
Kolkata

বিধ্বংসী বিশ্ব! টর্নেডোয় তছনছ আমেরিকার একাংশ

নিজস্ব সংবাদদাতা: শনিবার রাতে ভয়াবহতার সাক্ষী থাকল আমেরিকা। প্রায় ২০০ মাইল ধরে তাণ্ডব চালালো হঠাৎ ধেয়ে আসা টর্নেডো। ৬টি প্রভাবিত রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কেন্টাকি। ওই রাজ্যেই মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসেব অনুযায়ী ৭০ এর বেশি। এই সংখ্যা সাধারণভাবেই আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন কেনটাকির গভর্নর অ্যান্ডি বেশিয়ার।

শনিবার রাতে একসঙ্গে ৩০টি টর্নেডো আছড়ে পড়ে আমেরিকার ৬টি রাজ্যে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক টর্নেডোই প্রবেশ করেছিল কেন্টাকিতে। কেনটাকির গভর্নর অ্যান্ডি বেশিয়ার জানিয়েছেন, ”আমেরিকার সবচেয়ে ভয়াবহ রাতগুলির মধ্যে একটি বলা যেতে পারে। আমাদের কাছে আসা খবর অনুযায়ী খুব শীঘ্রই মৃতের সংখ্যা ১০০-র গণ্ডি পার করবে। আমার জীবনে এতো বড় ধ্বংসাত্মকলীলা আমি এর আগে দেখিনি।” একইসঙ্গে একটি এলাকার কথা তিনি জানিয়েছেন, যেখানে জনবসতি মাত্র ২ হাজার ৭০০। তাঁর মতে, ওই এলাকায় বেশি সংখ্যক মানুষের ম্রিত্যু হয়েছে। গভর্নর বলেছেন, ”ওখানে আবার দাদুর বাড়ি ছিল। ওই এলাকায় একটিও ঘর দাঁড়িয়ে নেই। জানি না কতজন বেঁচে আছেন।”

আরও পড়ুন:  Accident: নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা পুকুরে ট্রাক্টর-ট্রলি, মৃত কমপক্ষে ১০
আরও পড়ুন:  Avalanche: নেপালের মাউন্ট মানাসলুতে ভয়াবহ তুষারধস, মৃত ২ পর্বতারোহী

ইতিমধ্যেই ১৮৯ জন জাতীয় নিরাপত্তাকর্মীকে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকার্যে নেমেছে উদ্ধারকারী দলও। একাধিক গাড়ি ভেঙে প্রায় দলা অবস্থায় রয়েছে। টর্নেডো আসার আগের মুহূর্তেও যেখানে লোক বসবাস করতো, তা দেখে মনে হচ্ছে এক নিমেষে কেউ যেন রোলার দিয়ে পিশে চলে গেছে। ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে  ইলিনয়, মিসৌরি এবং আরকানসাসে। কোথা থেকে যে কী হয়ে গেল তা কেউই বুঝে উঠতে পারল না। বরং বলা চলে যতক্ষণে বুঝে উঠেছেন, ততক্ষণে সব শেষ।

Featured article

%d bloggers like this: