35 C
Kolkata

Russia uses oil weapon: তেলেই সমাধান খুঁজছে পুতিন

নিজস্ব প্রতিনিধি: ইউক্রেনে অভিযান শুরু করার পরেই রাশিয়ার উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

যুদ্ধে মস্কোকে বেকায়দায় ফেলতে জেলেনস্কি সরকারকে অস্ত্র দিচ্ছে ওয়াশিংটন ও ব্রাসেলস। পুতিনের পাল্টা হাতিয়ার – জীবাশ্ম জ্বালানি। এতে ফলও মিলতে শুরু করেছে। পুতিনের দাবি মেনে রুশ তেল কেনার জন্য একপ্রকার বাধ্য হয়ে গ্যাজপ্রম ব্যাঙ্কে রুবল অ্যাকাউন্ট খুলেছে দশটি ইউরোপীয় সংস্থা। নতুন খাতা খোলার আবেদন জানিয়েছে ইউরোপের আরও ১৪টি তেল কোম্পানি। এর ফলে রাশিয়ার হাতে বিপুল অঙ্কের অর্থ আসবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাশিয়ার উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করার ফলে বিদেশে সঞ্চিত প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের মুদ্রাভাণ্ডারে হাত দিতে পারছে না মস্কো। রাশিয়ার ব্যাঙ্কগুলিকে আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেনের ‘সুইফট’ ব্যবস্থা থেকে বাদ দেওয়া হয়। তারপর থেকেই জ্বালানির দাম রুবলে মেটানোর দাবি জানিয়ে আসছে পুতিন প্রশাসন। গত এপ্রিল মাসে পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ায় গ্যাসের জোগান বন্ধ করে দেয় রাশিয়া। শর্ত না মানলে গোটা ইউরোপে গ্যাসের জোগান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মুখে প্রতিবাদ করলেও শর্ত মানতে বাধ্য হয়েছে রুশ জ্বালানির উপর নির্ভরশীল জার্মানি ও অস্ট্রিয়া। জার্মান সংস্থা ইউনিপার আগেই জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ইউরোপে একটি রুশ ব্যাঙ্কের শাখায় তারা অ্যাকাউন্ট খুলছে। তার মাধ্যমেই জ্বালানির দাম মেটানো হবে। একই বার্তা এসেছে অস্ট্রিয়ার জ্বালানি সংস্থা ওএমভিজেএফ-এর তরফেও।

আরও পড়ুন:  Second bridge being constructed by China at Pangong: প্যাংগং - এ দ্বিতীয় ব্রিজ চিনা লাল ফৌজ
আরও পড়ুন:  Russia-Ukraine: প্রথম যুদ্ধাপরাধী ঘোষণা ইউক্রেন সরকারের

Related posts:

Featured article