29 C
Kolkata

যুদ্ধের জন্য এবার প্রস্তুত হচ্ছে এশিয়া

তাইপেই: পৃথিবী জুড়ে বেড়ে চলেছে হানাহানি। যুদ্ধে লিপ্ত বেশ কিছু দেশ, আর যুযুধান আরও অনেক। কভিডের পর বিশ্ব অর্থনীতি ছিল নিম্নগামী। অর্থনৈতিক ভাবে জর্জরিত শ্রীলংকা ও পাকিস্তান। তা আরও নিচে নেমে যাচ্ছে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে। ইজরায়েল – প্যালেস্টাইন, রাশিয়া – ইউক্রেন এর সাথে এবার কি এশিয়ার দেশ যোগ দেবে যুদ্ধের লিস্টে?

গালওয়ান সীমান্তে চীন ভারত সেনাদের হাতাহাতি বেশ আলোড়ন ফেলেছিলো। ভারতের অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তেও চীনের সামরিক গতিবিধিও বেশ চিন্তায় ফেলছে সকলকে। ভারত ও নৌমহড়া করে নিচ্ছে নিজেদের শক্তি পরীক্ষা করছে। এর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে মার্কিন স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর ঘিরে।

দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ ঘুরে দেখবেন পেলোসির নেতৃত্বাধীন মার্কিন কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান-সহ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল সফর করবে দলটি, তবে সেই তালিকায় ছিলোনা তাইওয়ানের নাম। তবে দ্বীপরাষ্ট্রটির সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মঙ্গলবার তাইপেই পৌঁছবেন পেলোসি। এমনটা হলে লালফৌজ হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না বলে আগেই হুমকি দিয়েছিলেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

আরও পড়ুন:  জাপানে আঘাত হানলো চীনা ক্ষেপণাস্ত্র

চীন সাগরে ইতিমধ্যেই যুদ্ধের মহড়া শুরু করেছে তাইওয়ানের নৌবাহিনী, এমনটাই দাবি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের। সম্ভাব্য` চীন আগ্রাসন ঠেকাতে উপকূল বরাবর অবস্থান নিচ্ছে দ্বীপরাষ্ট্রের স্থলসেনা। শুরু হয়েছে আকাশপথে চিনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)-কে ঠেকানোর প্রস্তুতিও। এর পাশাপাশি, তাইওয়ানের সক্ষম নাগরিকদের একাংশকে যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়াও শুরু করেছে সে দেশের সেনা।

আরও পড়ুন:  বাংলাদেশ কোনদিকে

তাইওয়ানের সঙ্গে সরকারিভাবে কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই আমেরিকার। তবে দুই দেশ ‘বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক’ বজায় রাখে এবং ‘আত্মরক্ষা’র জন্য তাইপেইকে অস্ত্র সরবরাহ করে থাকে ওয়াশিংটন। বলে রাখা ভাল, কয়েকদিন আগে একটি চাঞ্চল্যকর অডিও প্রকাশ্যে আসে। সেখানে দাবি করা হয়, গায়ের জোরে তাইওয়ান দখলের পরিকল্পনা করছে চীন। এই অডিও রীতিমতো আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে গিয়েছে চীনা কমিউনিষ্ট শাসক ও সেনা আধিকারিকদের একাংশের মধ্যে। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছে, ওই অডিও ক্লিপটি বিশ্বাসযোগ্য। তাইওয়ান দখল নিয়ে আলোচনাটি রেকর্ড করেছে চীনা ফৌজ। সেখান থেকেই কোনওভাবে তা লিক হয়েছে।

আরও পড়ুন:  এক চীন নীতি মেনে নিল বাংলাদেশ

উল্লেখ্য, চীন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ হিসাবে দাবি করে এসেছে। তবে বেজিংয়ের ক্ষমতার রাশ শি জিনপিংয়ের হাতে আসার পর থেকেই আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে কমিউনিস্ট দেশটি। প্রেসিডেন্ট জিনপিং একবার তাইওয়ান দখলের কোথাও বলেছেন।

আরও পড়ুন:  দুই দেশের 'রক্তের সম্পর্ক'

Featured article