33 C
Kolkata

এই দেশে বই নাকি ‘অপবিত্র’

নিজস্ব সংবাদদাতা : ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালের তালিবানি শাসনের আমলে বইকে ‘অপবিত্র’ হিসেবে গণ্য করা হত আফগানিস্তানে । আর সেই কারণে জোর করে দোকান বন্ধ করে দিত তালিবান। এবার মুখে কিছু না বললেও পরিস্থিতি একই রকম ভয়াবহ। তবু এখনও বই খুলে রেখেছেন বহু দোকানদার। যদিও নিয়মিত দোকানে ঢুঁ মারতে দেখা গিয়েছে তালিবানকে।

সরাসরি ফতোয়ার মুখে না পড়েও নিত্য নৈমিত্তিক ভোগান্তি সঙ্গী বইওয়ালাদের। এক বিক্রেতা জানাচ্ছে, প্রাক্তন মার্কিন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামার স্মৃতিকথা ‘বিকামিং’ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বলতে গেলে বইটির বিষয়বস্তু নয়, আলোচনায় উঠে এসেছিল বইটির মলাট। কেন সেখানে মিশেলকে হিজাব পরা অবস্থায় দেখা যাচ্ছে না, এই প্রশ্ন উঠেছিল।এক দোকানের ম্যানেজার জানাচ্ছেন, দোকানে এসে দুই তালিবান জঙ্গি বুঝে নিতে চাইছিল দোকানে কোনও রোম্যান্টিক বই রাখা আছে কিনা।

আরও পড়ুন:  রাশিয়ার দখলে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল
আরও পড়ুন:  রাশিয়ার দখলে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল

তবু এই পরিস্থিতিতেও এখনও খোলা আফগানিস্তানের বইয়ের দোকানগুলি। বই বিক্রেতারা জানাচ্ছেন আগে যেখানে দিনে অন্তত ৫০ জন ক্রেতা পাওয়াই যেত। কিন্তু এখন বলতে গেলে কিছুই নেই।’ অথচ তাঁদের স্বপ্ন ছিল ছোটদের বইয়ের একটি প্রকাশনা খোলার।কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত বই বাজার বরাবরই তরুণ বইপ্রেমীদের প্রিয় চারণভূমি।

কিন্তু গত তিন মাসেই পরিস্থিতি আমূল বদলে গিয়েছে। এখন সেখানকার অর্ধেক দোকানেই ঝাঁপ ফেলা। আর যেগুলি খোলা, সেখানেও ক্রেতাদের প্রভূত সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সবমিলিয়ে আফগানিস্তানে নতুন করে শুরু হয়েছে এক অন্ধকার যুগ।

Featured article

%d bloggers like this: