25 C
Kolkata

লাল ফৌজকে আটকাতে সমরাস্ত্র

তাইপেইঃ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক পরিকাঠামো বেশ সঙ্গিন। কিছু দেশে অর্থ সঙ্কট এতটাই বেশি যে সরকারের পতন হচ্ছে। করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে অনেক দেশ নিজেদের অর্থনীতি সামলাতে ব্যাস্থ। আবার চীন নিজেদের আধিপত্য কায়েম করার জন্য বাড়িয়ে চলেছে রণসজ্জা। সেই আগ্রাসন এতটাই বেড়ে গেছে যে তাইওয়ানের ওপর যুদ্ধ ঘোষণা করার কাছাকাছি পৌঁছে গেল ড্রাগনের দেশ। সেই আগ্রাসনের মোকাবেলা করার জন্য তাইওয়ানকে অস্ত্র দিচ্ছে অ্যামেরিকা।

উল্লেখ্য, জুলাই মাসে মার্কিন হাউজ অব রিপ্রেসেন্টেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের পর থেকেই চীনা ফৌজ আরও বেশি আক্রমনাত্মক হয়ে উঠেছে। দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানকে ঘিরে চালিয়েছে সামরিক মহড়া। তাইওয়ানের আকাশে উড়ছে চীনা ড্রোন। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রায় নাজেহাল ছোট্ট রাষ্ট্রটি।

আরও পড়ুন:  Worlds largest Flower : ১০ কেজি ওজনের একটি ফুল ! নাম জানা আছে ? দেখতেই বা কেমন হয় ?

এরকম সময় ত্রাতা হয়ে এল অ্যামেরিকা। তাইওয়ানকে ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হাতিয়ার দেওয়ার কথা ঘোষণা করল আমেরিকা। ভারতীয় মুদ্রায় তা প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে রয়েছে ৬০টি জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও ১০০টি আকাশ থেকে আকাশে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র। মনে করা হচ্ছে, এই ঘোষণার মধ্যে দিয়ে চিনকে ফের বার্তা দিল আমেরিকা।

আমেরিকার এই পদক্ষেপ ভাল চোখে দেখছেনা বেজিং। ওয়াশিংটনে চীনা রাষ্ট্রদূত লিউ পেংজিউ হুমকির সুরে বলেছেন, এই ঘটনায় মার্কিন-চিন সম্পর্কে বিরূপ প্রভাব পড়বে। উল্লেখ্য, চলতি মাসেই শি জিনপিং সরকার জানিয়ে দেয়, তারা হংকংয়ের মতোই তাইওয়ানেও যে ‘এক দেশ দুই ব্যবস্থা’ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা তারা ফিরিয়ে নিচ্ছে।

আরও পড়ুন:  China: কেন চিনা প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ জনতা?

২০০০ সালে যে শ্বেতপত্র চিন প্রকাশ করেছিল, সেখানে জানানো হয়েছিল, যদি কখনও তারা দ্বীপরাষ্ট্রটি দখল করে তাহলে সেখানে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করবে না। সেখানে থাকবে স্বশাসিত সরকার। কিন্তু এবার বেজিং জানিয়ে দিল, এই প্রতিশ্রুতি তারা আর দিচ্ছে না। এরই পাশাপাশি চিন জানিয়েছে, দ্বিপাক্ষিক এই ইস্যুতে কোনও তৃতীয় তৃতীয় পক্ষের উসকানি সহ্য করা হবে না। এই বিবৃতি থেকে পরিষ্কার, তারা আমেরিকার উপরেও চাপ বজায় রাখতে চাইছে।

Featured article

%d bloggers like this: