22 C
Kolkata

Temple: অর্থভাব কাটছে না? পুজো দিনধারী দেবীর মন্দিরে

নিজস্ব প্রতিবেদন: কলকাতা শহর জুড়ে তো কত জাগ্রত মন্দির। তবে,শুধু কলকাতায় নয় উত্তরাখণ্ডেও আছে এক জাগ্রত মন্দির। চারধাম সহ সমগ্র উত্তরাখণ্ডের রোক্ষক হলেন এই মাতা। শ্রীনগর থেকে রুদ্রপ্রায়গ যাওয়ার পথে আলোকনন্দা নদীর ওপরেই দেখতে পাওয়া যায় এই মন্দির। ইচ্ছে হলো চারধাম বা পঞ্চ কেদারের সঙ্গেও ধারী দেবীর দর্শন করতে পারেন।

আলোকনন্দা নদী বেয়ে এসেছিলেন ধারী দেবীর উপরি ভাগ এবং এখানেই মাতা কে প্রতিষ্ঠা করা হয়। নিম্ন অংশ পূজিত হয় কালি মঠ এ। যা আবার সতীপীঠ গুলির একটি। কালিমঠ দেবীর ক্রোধিত রূপ ও ধারী তে দেবীর শান্ত রূপ রয়েছে। এখানে শান্ত রূপ থাকলেও দেবীর ক্রুদ্ধ রূপ উত্তরাখণ্ডের সকলেই দেখেছেন। যখনই দেবীর মন্দির কোথাও স্থানান্তর করার চিন্তা হয়েছে তখনই উত্তরাখন্ড এ কোন না কোনো বিপর্যয় নেমে এসেছে। কেদারনাথ এর মেঘ ফেটে বন্যার কারণ ও তাই বলেই মনে করেন উত্তরাখণ্ডের লোকজন।

আরও পড়ুন:  Baby Health Care: আপনার বাচ্চারও কি টিভি এবং মোবাইলের প্রতি আসক্তি বাড়ছে ?

2013 সালে জল বিদ্যুৎ প্রকলের জন্য দেবীর মূর্তি স্থানান্তর করতে চাওয়ার কয়েক মুহূর্তেই এই বিপর্যয় ঘটে। কথিত আছে ১৮৮২ সালেও নাকি ওখানকার রাজা মায়ের মন্দির সরাতে গেলে একই বিপর্যয় নেমে আসে। ধারী দেবী সমগ্র উত্তরাখণ্ডের রক্ষা কর্তা।এখানে সকালে দেবী কন্যা দুপুরে যুবতী ও রাতে বৃদ্ধা রূপে দর্শন দেন এমন ও কথার প্রচলন আছে। ভক্তরা অনেকেই বলে যদি অর্থের সমস্যা থাকে তাহলে মায়ের কাছে পুজো দিলেই মিটে যায় সমস্যা।

Featured article

%d bloggers like this: