35 C
Kolkata

Happy Womens Day: সব ‘HER’ হেরে যায়না

মনামী রায় : ”সত্যি নারী দেখায় ভারি অন্ধকারে, কেউ জানে না কেমন ব্যথা বন্ধ দ্বারে”। ‘ব্যথা’ আর ‘নারী’ দুটোই সমার্থক শব্দ আমাদের এই ভারতীয় সমাজে। ছোট থেকেই নারীদের শিখতে হয় ”মানিয়ে নাও” ”মেনে নাও”। মানতে মানতে নারী ভুলে যায় স্বাধীনতার মানে,ভুলে যায় আত্মসম্মান কাকে বলে। তারা পুরুষদের তৈরী করা নিয়মের বেড়াজালেই তাদের জীবনটাকে মানিয়ে নেয়।

মেয়েদের এটা করতে নেই, কিন্তু কেন নেই ? তার উত্তর পাবেন না। উত্তর চাইলেই নারী মুখরা। সমাজ যাকে ভালোবাসতে বলবে তাকেই ভালোবাসতে হবে। ভালোবাসার অন্য সমীকরণ যদি নারী তার জীবনে চায়, তখনই সে চরিত্রহীনা। পুরুষরাই নারীদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করে দিয়েছে আবার সেই পুরুষই শিক্ষার সীমারেখা ধার্য্য করে দিয়েছে নারীদের জন্য। তাই তো আজও এই একবিংশ শতাব্দীতেও নারীকে তার ইচ্ছার সাথে চলতে গেলে আজও যুদ্ধ করতে হয়। যে যুদ্ধ শুরু করে ছিলেন দেবী দূর্গা, তারপর খনা,পদ্মিনী,লক্ষ্মীবাঈয়ের হাত ধরে একবিংশ শতাব্দীতে এসে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন:  Expressway: উত্তরবঙ্গের সঙ্গে জুড়তে চলেছে বাঁকুড়া

আজকের নারীরা তাদের সম্পর্কের সমীকরণ ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে, প্রত্যেকে বোঝার চেষ্টা করছে নিজেদের ভালোলাগা খারাপ লাগা গুলোকে। তাই তো আজ মেয়েরা অবলীলায় ”ফাইটার জেট” ওড়াতে পারে। পড়তে পারে নিজের ইচ্ছা মত পোশাক। নতুন নারীরা তাদের স্বামীর সঙ্গে সংসারের সমস্ত কাজ ভাগ করে নিয়েছে। আজ কেউ সংসারের কর্তাও নয় গিন্নিও নয়। দুজনেই সংসারের কর্মী, দুজনেরই মতামতের দাম সমান। দুজনেই দুজনের জগৎকে সম্মান দেয় সমানভাবে।

আরও পড়ুন:  Pallavi Dey Death: পল্লবীর প্রেমিকের বিপুল টাকা কোথায় লুকোনো?

তবে এই সংখ্যাটা খুবই নগন্য। শুধুমাত্র নগরকেন্দ্রিক, কিন্তু ভারতবর্ষের অগুনতি গ্রামের হাজার হাজার নারীরা আজও পুরুষের তৈরী মধ্যযুগীয় নিয়মের পালন করে যাচ্ছে। কেন ? আর কত দিন ? কবে নারী তুমি ফোঁস করে উঠবে এই মধ্যযুগীয় বর্বরতার বিরুদ্ধে ? এবার তো ওঠো, নিজের সম্মানকে ছিনিয়ে নাও, সামনে যে খোলা আকাশ। দুহাত তুলে বুক ভরে নিশ্বাস নাও। একবার তো বলো বাঁচতে চাই।

আরও পড়ুন:  East Bengal Coach : লাল হলুদ কোচের হটসিটে রঞ্জন ভট্টাচার্য!

Featured article