27 C
Kolkata

Nolen gur: ভেজাল না আসল! কিভাবে চিনবেন খাঁটি নলেন গুড়…

নিজস্ব প্রতিবেদন: প্রকৃতিতে এখন উত্তরের হিমেল বাতাস বইছে। চারদিকে ছুঁয়েছে শীতের আমেজ। এরই হাত ধরেই চলে এল নলেন গুড়ের মৌসুম। শীতকালের জন্য বাঙালির সারা বছর হাপিত্যেশ করে থাকার একটা বড় কারণ হল এই নলেন গুড়। সোনালি রঙের পাতলা গুড়, আহা তার যা স্বাদ আর তেমনি সুমধুর গন্ধ। এর জন্য বাঙালি অনেক কিছু করে ফেলতেও রাজি হয়ে যেতে পারে।

তবে ঠান্ডা বেশ জাঁকিয়ে না পড়া পর্যন্ত নলেন গুড় বাজারে আসে না। তবে ঠান্ডাটা জাঁকিয়ে না পড়া পর্যন্ত ভাল খেজুরের রস মিলবে না। আপাতত রসের জোগান না থাকায় গুড়ের চাহিদা সত্ত্বেও সরবরাহ করতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে ভেজাল গুড়ের কারবার। বাজার ছেয়ে গিয়েছে হাইড্রোজ, ফটকিরি, ক্যালশিয়াম-বাই-কার্বনেট, নলেন গুড়ের সুবাসিত গন্ধ-সমৃদ্ধ প্রোপিলিং গ্লাইকল নামে কৃত্রিম রাসায়নিক মেশানো ভেজাল গুড়ে। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে আসল নলেন গুড় চিনবেন জেনে নিন…

আরও পড়ুন:  Lifestyle : কমলা লেবু দিয়ে ত্বকের পরিচর্চা

১) গন্ধ শুঁকেই গুড় কিনতে যাবেন না। আজকাল ভেজাল হিসেবে গুড়ে গন্ধের রাসায়নিকও মেশানো হয়ে থাকে।

২) নলেন গুড়ের পাটালি একদম নরম হয়। আঙুল দিয়ে হালকা চাপ দিলেই গুঁড়ো হয়ে যায়। শক্ত পাটালি হলে সেটা নলেন গুড় নয়।

৩) কেনার আগে একটু ভেঙে মুখে দিয়ে দেখুন। স্বাদ নোনতা হলে বুঝবেন এতে ফটকিরি মেশানো আছে।

৪) নলেন গুড়ের রঙ গাঢ় বাদামি। গুড়ের রঙ হালকা হলে তাতে নিশ্চিত চিনি মেশানো আছে। অনেক সময় রঙ লালও হতে পারে। রাসায়নিক না মেশালে এমন রঙ হয় না।

৫) গুড়ের পিঠে, পুলিতে ভালো সুস্বাদু করতে হলে নলেন গুড়ে একদম ভেজাল থাকা চলবে না।

৬) ভেজাল মেশানো আটকাতে মাঝে মাঝেই খাদ্য দফতর থেকে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। নভেম্বর মাসের শেষ থেকে মার্চ মাসের গোড়া পর্যন্ত ভালো নলেন গুড় বাজারে আসে। তাই এই সময়ের আগে বা পরে গুড় না কেনাই ভালো‌।

আরও পড়ুন:  খালি পেটে কলা খাওয়ার অভ্যাস আছে? জানেন কি ক্ষতি করছেন নিজের…

Featured article

%d bloggers like this: