29 C
Kolkata

Living Alone On The Island:দ্বীপে বাস করেন একাই, বয়স পেরিয়েছে ৮১

নিজস্ব সংবাদদাতা:মানুষ হল সমাজবদ্ধ জীব একা থাকা প্রায় অসম্ভব। তবে এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে ৮১ বছরের এক নারী। সুবিশাল জলরাশি চারিদিকে আর মাঝে একটা ছোট্ট দ্বীপ সেই দিতেই থাকেন কিম সিন ইওল।১৯৯১ সাল থেকে স্বামীর সঙ্গে ২৭ বছর একটি দ্বীপে বাস করছেন।তিনি একজন ফ্রি-ডাইভারও। ২০১৭ পর্যন্ত সমুদ্রের তলদেশে ডুব দিয়েছেন তিনি। অসুস্থতার কারণে বছর দু’য়েক আর এ কাজ করেন না।

২০১৮ সালে স্বামী মারা যাওয়ার পর একাই এ দ্বীপের বাসিন্দা কিম। দক্ষিণ কোরিয়ার এ দ্বীপের আশপাশের জলসীমার অধিকার কিন্তু জাপানের।জাপান এ দ্বীপটিকে তাকেশিমা বললেও কোরীয়রা বলেন ডোকডো দ্বীপ। লিয়ানকোর্টস রক নামেও দ্বীপটি পরিচিত বহির্বিশ্বের কাছে।পুলিশ, নাবিক, পর্যটক, লাইটহাউস অপারেটর- অনেকেই এ দ্বীপে বেড়াতে আসেন।

আরও পড়ুন:  মানুষেরই নতুন প্রজাতির খোঁজ মিলল ফিলিপিন্সের গুহায়

বেশির ভাগ সময়ই ঝড়বৃষ্টির আশপাশের জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে দ্বীপটি। ৭০-এর দশকে ডাইভারদের বেশকিছু পরিবার এ দ্বীপে থাকতেন। কিন্তু আবহাওয়ার কারণেই আস্তে আস্তে ফাঁকা হতে শুরু করে দ্বীপটি।কিমের নাতি বলেন, তার ঠাকুরমার কাছে এটি শান্তির জায়গা। তাই এখানে থাকতেই ভালোবাসেন তিনি। কিমের সময় কীভাবে কাটে? মাছ ধরেই বেশির ভাগ সময় কেটে যায়, এমনটাই বলছেন কিম।একা ভালো তো আছেনই, উল্টো নিজের ছেলে ও পুত্রবধূকেও দ্বীপের বাসিন্দা করতে চান কিম। পর্যটকদের কাছে ডাকটিকিট, সাবান ও সি ফুড বিক্রি করেই দিব্যি চলে যাচ্ছে, এমনটাই দাবি তার।

আরও পড়ুন:  Tea : সূর্যোদয় না, অনেকের সকাল হয় এক কাপ চা'য়ে ! জেনে নিন কোন চা আপনার জন্য উপযুক্ত

সিওল থেকে ৪৩৩ কিলোমিটার দূরত্বে এ দ্বীপ। প্রায় ২৩০০ মিটার উঁচু একটা আগ্নেয়গিরি রয়েছে এ দ্বীপের কাছে সমুদ্রের নিচে। দক্ষিণ কোরিয়ার দখলে থাকলেও জাপানের সঙ্গে এ দ্বীপের মালিকানা নিয়ে বিবাদ রয়েছে গত ৩০০ বছর ধরে। দ্বীপে দক্ষিণ কোরিয়া একটি লাইটহাউসও বানিয়েছে।

আরও পড়ুন:  Tea : সূর্যোদয় না, অনেকের সকাল হয় এক কাপ চা'য়ে ! জেনে নিন কোন চা আপনার জন্য উপযুক্ত

Featured article

%d bloggers like this: