24 C
Kolkata

সুমদ্রের গভীরেই রয়েছে ৫ হাজার বছরের পুরনো বিষ্ণু মন্দির! জানেন কোথায়…

নিজস্ব প্রতিবেদন: পৃথিবীর ইতিহাস এত দীর্ঘ যে, যেকোনো মাপকাঠিতে তা গণনা করা কঠিন। এই দীর্ঘ ইতিহাসের ভিতর বহু বহু জিনিস হারিয়ে গিয়েছে। ভূ-গর্ভে চলে গেছে কয়েকশ সভ্যতা। সমুদ্রের ‍নিচেও হারিয়ে গেছে অসংখ্য মানুষ, প্রাণী, শহরসহ অনেক কিছুই। এইসব হারিয়ে যাওয়া জিনিসই অনেক মানুষ খুঁজে চলেছে নিরন্তন। খুঁজে পেলে তা আমাদের কাছে তা বিস্ময়। আমরা জানি সমুদ্রের নীচে অনেক শহর আছে। একাধিক গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য। সেভাবে অনেকে এই নিয়ে খোঁজ না নিলেও একাধিকবার এই দাবি করা হয়েছে। আপনাদের বলব বিশ্বে এমন অনেক জায়গা রয়েছে, যেখানে সমুদ্রের গভীরেই রয়েছে অনেক অজানা নিদর্শন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক…

১) Under water sculpture park- এই মিউজিয়ামটি আন্ডারওয়াটার প্রটেক্টর মেরিন সি -তে দেখতে পাওয়া যায়।ব্রিটিশ আর্টিস জেনেস টেইলরের বানানো এই মিউজিয়ামের মূর্তিগুলি মাধ্যমে একটি বার্তা দিতে চেয়েছিলেন যে মানুষ জল থেকেই সৃষ্টি হয়েছে এবং মানুষের জীবন জলের উপর নির্ভরশীল। ২০০৫ সালে এই মিউজিয়ামটি দেখার জন্য জনগণের প্রবেশেধিকার দেওয়া হয়।এটি ছিল সমুদ্র থেকে ৫ মিটার গভীরে অবস্থিত।

আরও পড়ুন:  Red Light : যৌন পল্লীকে যে কারণে রেড লাইট এড়িয়া বলে

২) Status of Jesus Christ- ফ্লোরিডার সমুদ্রের নিচে এই মূর্তিটি ২০০৯ সালে স্টিফেন নামের এক ব্যাক্তি প্রথম দেখতে পান। তারপর সে মিডিয়া ও পুলিশকে জানান।এবং খোঁজখবর নিয়ে যান যায় যে ১৯৫৪ সালে ওখানে ডিলু মেথরড নামের এক বিখ্যাত ড্রায়ভারের মৃত্যু হয়। যার স্মৃতিতে তার বন্ধুরা ওখানে এই মূর্তিটি বানিয়ে ছিলেন।

৩) The Lion city- চাইনার ১৯৫৭ সালে বানানো একটি হাইড্রো ইলেকট্রিক পাওয়ার স্টেশন জন্য এই শহর ১৩০ ফুট গভীরে ডুবে যায়। যার ফলে প্রায় ৩ লক্ষ মানুষকে তাদের ঘর ছাড়তে হয়েছিল।এই শহরের সীমানা ছিল ৫৩০ বর্গ কিলোমিটার।

৪) Vishnu Temple- ইন্দ্রনেশিয়ার বালিতে অবস্থিত একটি বিষ্ণু মন্দির যা সমুদ্রের ৯০ ফুট গভীরে বানানো। বলা হয়ে থাকে যে এই মন্দিরটি ৫ হাজার বছরের পুরনো। এবং সমুদ্রের জল বেড়ে যাওয়ার ফলে এই মন্দিরটি জলের নিচেই অবস্থিত।

আরও পড়ুন:  প্লেনের জানালা গোল হয় কেন জানেন…

৫) Lighthouse of Alexandria- ইজিপ্টের একটি শহরে অবস্থিত একটি লাইটহাউসে বানানো হয়েছিল যার উচ্চতা ছিল ২০ মিটার এবং এটি বানাতে ২০ বছর লেগে গিয়েছিল। তৃতীয় শতাব্দীতে ওই লাইটহাউসের মাধ্যমে সামুদ্রিক জাহাজগুলিকে নির্দেশনা দেওয়া হত।তবে একটি ভয়াবহ ভূমিকম্পের মাধ্যমে এটি ভেঙ্গে সমুদ্রে নিচে চলে যায়। যার ধ্বংসাবশেষ এখন ওই সমুদ্রেই রয়েগিয়েছে।

Featured article

%d bloggers like this: