34 C
Kolkata

Municipal Election: তিন মাসেই কাশ্মীর জয় হামরো পার্টির

নিজস্ব প্রতিবেদন: সদ্যজাত দল বলা যেতে পারে। প্রতিষ্ঠাতা পেশায় বিখ্যাত গ্লেনারিজ রেস্তরাঁর কর্তা। অজয় এডওয়ার্ডের হাত ধরেই কি পাহাড়ের রাজনীতিতে নয়া মোড় আসতে চলেছে? বিমল গুরুং বা অনিতা থাপার দলের কি তবে অস্তিত্ব সংকট দেখা দিতে পারে? উঠছে একাধিক প্রশ্ন। মোট ৩২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টিতে জয় পেয়েছে হামরো পার্টি। অর্থাৎ পুরবোর্ড গড়বে তারাই। এবার দার্জিলিংকে নতুনভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েই এগোবে অজয়ের দল। নিজের বুথে হেরেছেন তিনি, তবে দলের বিজয় নিয়ে আনন্দের শেষ নেই। তৃণমূল বিজেপিকে যথেষ্ট পিছনে ফেলে দিয়েছে এই দলটি। অজয় এডওয়ার্ড জানিয়েছেন, ”পাহাড়ে শান্তি স্থাপন করাই তাঁর দলের মূল উদ্দেশ্য।” নিজের বুথে পরাস্ত হয়েছেন তিনি। অজয় স্পষ্ট জানান, ”মেয়র হওয়া তাঁর লক্ষ্য ছিল না। ২২ নম্বর ওয়ার্ডে নিজের পরাজয়কেও মেনে নিয়েছেন তিনি।” তিনি মনে করেন, ”

পেশায় রেস্তোরাঁর মালিক হলেও রাজনৈতিক সক্রিয়তা যথেষ্ট রয়েছে অজয় এডওয়ার্ডের। গত বছর ২৫ নভেম্বর এই দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। আঞ্চলিক দল হিসেবে এই পার্টির পথ চলা মাত্র ৩ মাসের। এরমধ্যেই ১৮টি পুরসভায় জয়লাভকে বিশেষ নজরে দেখছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এই পার্টির প্রধান অজয় এডওয়ার্ড জিএনএলএফ সভাপতি মন ঘিষিংয়ের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত ছিলেন। নানা বিষয়ে পাহাড় গরম হতে দেখা গেছে। এই ইস্যুর সমাধানের জন্য কিছুদিন আগেই দিল্লি গিয়েছিলেন তিনি। অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকও করেন। এই ঘটনার পরই মন ঘিষিংয়ের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থীপদ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জিএনএলএফ দার্জিলিং শাখার সভাপতি ছিলেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের পরই দল ছাড়েন এডওয়ার্ড। এরপরই গঠন করা হয় হামরো। এই দল গঠন যে মোটেও ভুল সিদ্ধান্ত নয়, তা নির্বাচনী ফলপ্রকাশের পরই স্পষ্ট হয়েছে। এই দলের প্রতীক- দলের পতাকার রং সাদা। তার মধ্য়ে নীল রঙের একটি বৃত্ত। তাতে খুকরির প্রতীক এবং শান্তির প্রতীক উড়ন্ত পাখি।

Featured article