28 C
Kolkata

”এই কারণেই আমি তৃণমূল ছেড়েছিলাম”, মমতার ‘বকুনিতে’ মহুয়ার পাশে শুভেন্দু

নিজস্ব সংবাদদাতা: এ কেমন চমক? প্রাক্তন দলের সাংসদের পাশে দাঁড়ালেন শুভেন্দু অধিকারী! একইসঙ্গে তৃণমূল সুপ্রিমোকে তুলোধোনা করতেও ছাড়লেন না তিনি। নদিয়ায় প্রশাসনিক বৈঠকে মহুয়া মৈত্রর উদ্দেশ্যে নাম করেই কড়া বার্তা দেন মমতা। যদিও মহুয়ার কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি, তবে এই নিয়ে মুখ খুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী যেখানে সেখানে কর্মীদের অপমান করেন, আর এই কারণেই দল ছেড়েছেন বলে অভিযোগ জানালেন তিনি।

নদিয়া জেলায় বৈঠকে বসে মহুয়া মৈত্রকে একসঙ্গে কাজ করার বার্তা দেন মমতা। একইসঙ্গে মতানৈক্য মিটিয়ে নেওয়ার কথাও বলেন। এই বিষয়েই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ”এই মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে আধিকারিক, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অপমান করে নিজের ঔধ্যত্ব, অহংকারের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। আমার তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার পেছনে এটাও অন্যতম বড় একটা কারণ ছিল। মানুষের ন্যূনতম আত্মসম্মান বোধ আছে। লাইভে একজন মানুষের পিতামাতা, ভাইবোন দেখছেন, সেই বোধবুদ্ধি মুখ্যমন্ত্রীর নেই।”

আরও পড়ুন:  Purulia: বন্ধ রেল পরিষেবা, স্তব্ধ জাতীয় সড়ক
আরও পড়ুন:  বাগবাজার টালা মিলে গেল সেতুতে

এরই পালটা মন্তব্য করেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, ”উনি তৃণমূল ছেড়েছেন সিবিআই আর ইডির তদন্ত এবং গ্রেফতারি থেকে বাঁচা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের দলের অভিভাবক। এক একবার এক একরকম কথা বলে লাভ নেই। তিনি নির্দিষ্ট কিছু বার্তা দিয়েছেন, দিতেই পারেন। তিনি অভিভাবক, নেত্রী এর সঙ্গে মান অপমানের কী সম্পর্ক?” কুণাল আরও বলেন, ”শুভেন্দু অধিকারীর অপমানজনক ঔধ্যত্বে ওঁর বিধায়করাই ওঁর বিরোধী। শুভেন্দু অধিকারী নিজের চরকায় তেল দিন। এসব অধিকারী প্রাইভেট লিমিটেড দিয়ে মেদিনীপুরের পার্টি চালানোর ওঁর এলাকার লোকই বিরক্ত।”

Featured article

%d bloggers like this: