22 C
Kolkata

ঘরের মাঠে ইউরোর ফাইনালে ইংল্যান্ডই এগিয়ে মত বিশেষজ্ঞদের

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। তারপরই ইউরোর মহারণে ওয়েম্বলিতে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও ইতালি।

এই হাইভোল্টেজ ম্যাচ শুরুর আগে তাই বিশেষজ্ঞরদের অনেকেই বলছেন ঘরের মাঠে ছন্দে থাকা ইংল্যান্ড এই ম্যাচে এগিয়ে রয়েছে। কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন, এই ইংল্যান্ড দলের গোল থেকে ফরোয়ার্ড সবাই যেন নিজের সেরাটা দিয়ে কাপ জিততে মরিয়া হয়ে রয়েছেন। এই বাড়তি তাগিদটাই যেন ইংল্যান্ডকে কিছুটা হলেও এগিয়ে রাখছে।

ইউরোর ফাইনাল ম্যাচ শুরুর আগে যদি ইংল্যান্ড দলটার খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের দিকে তাকানো যায় তাহলে দেখা যাবে গোলরক্ষক পিকফোর্ভ কিন্তু অসাধারণ ছন্দে রয়েছে।‌‌ এই টুর্নামেন্টে ৭২৬ মিনিট‌ একটিও গোল হজম করেননি এই ব্রিটিশ গোলরক্ষক। তেমনি রক্ষণ ও মাঝমাঠে ভরসা দিচ্ছেন মিগুয়েল, স্টোন্স ও মাউন্ট ফিলিক্সরা। আর ফরোয়ার্ডে হ্যারিকেন, সাকা ও স্টার্লিং। ফর্মে থাকা হ্যারিকেন যে বুনুচ্চিদের অস্বস্তিতে ফেলবেন বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। তবে পাশাপাশি তাঁদের চিন্তায় রাখছে হ্যারিকেনের গোল মিস করার ব্যাপারটিও।

আরও পড়ুন:  Iran vs Wales : নাটকীয় জয়ে বিশ্বকাপে টিকে থাকল ইরান

তবে অনেকের মতে আজকের ফাইনালে মূলত লড়াই হবে দুই দলের মাঝমাঠের দখলকে কেন্দ্র করে। কেননা এই মুহূর্তে বিশ্বের চার দূরন্ত মিডফিল্ডারই‌ আজকে মাঠে লড়াই করবেন। যেমন ব্রিটিশদের হয়ে মাঝমাঠের রিমোট থাকবে ডেকলাম রাইস ও কেলভিন ফিলিক্সের ওপর, তেমনি ইতালির মাঝমাঠের‌ দায়িত্বে থাকবেন জর্জিনহো ও ভেরোত্তি। জর্জিনোর দূরন্ত ফর্মই চিন্তা বাড়াচ্ছে ইংল্যান্ড দলে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা স্বীকারও করেছেন ফিলিক্স।

অন্যদিকে কিছু বিশেষজ্ঞ আবার ইতালিকেও এগিয়ে রাখছেন। তাঁদের ‌‌‌‌‌‌যুক্তি, চলতি ইউরোতে কাপ জয়ের অন্যতম দাবিদার মানচিনির দল। চিরচারিত রক্ষণাত্মক কৌশল ছেড়ে বেরিয়ে এসে বারেল্লা, ইনসিগনেরা যে ফুটবল খেলছে তা এককথায় অসাধারণ। তাঁদের মতে, ইংল্যান্ডের মাঝমাঠের থেকেও ইতালির মাঝমাঠ অনেক বেশি শক্তিশালী। জর্জিনহো, ভেরত্তি ও বারেল্লারা যদি নিজের খেলা খেলতে পারেন, অন্যদিকে বুনুচ্চিরা যদি হ্যারিকেন আর স্টার্লিংকে আটকাতে পারেন তাহলেই কেল্লা ফতে।

আরও পড়ুন:  Germany vs Japan : আজ জাপানের মুখোমুখি জার্মানি, অঘটন ঘটাতে চায় সামুরাইরা

তবে পরিসংখ্যানের দিকে যদি তাকানো যায় তাহলে দেখা যাবে বড় আসরে এই দুই ‌‌ দল মোট ২৭ বার মুখোমুখি হয়েছে। তারমধ্যে ইতালি ১১বার ও ইংল্যান্ড আটবার জয়ী হয়েছে। আর ড্র হয়েছে আট বার। আর এই ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার আগে‌ শেষ পাঁচটি ‌‌
সাক্ষাৎকারের মধ্যে দুটি দলই জিতেছে একটি করে ম্যাচ। বাকি তিনটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।

এখন দেখা যাক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইউরোর ফাইনালে শেষ হাসি কে হাসেন।‌‌ ৫৫ বছরের ট্রফি খরা মিটিয়ে ইংল্যান্ড ‌‌‌কি ট্রফি জয়ের স্বাদ পাবে‍? নাকি ২০১৮ র বিশ্বকাপে না খেলতে পারার যন্ত্রনা ইউরোতে চ্যাম্পিয়ান হয়ে মেটাতে পারবেন বুনুচ্চিরা।

Featured article

%d bloggers like this: