18 C
Kolkata

Roger Federer : পেশাদারী টেনিস থেকে রাজার বিদায়

লন্ডন: টেনিস কোর্ট থেকে চিরতরে বিদায় নিলেন রজার। শেষ হয়ে গেল আধুনিক টেনিসের একটা গোটা অধ্যায়। লন টেনিস র‍্যাকেট হাতে আর নামবেন না ২০ গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক। গত ১৫ সেপ্টেম্বর পেশাদারী টেনিস থেকে অবসর নেওয়ার কথা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন রজার ফেডেরার। জানিয়েছিলেন লেভার কাপেই শেষ বার প্রতিযোগিতামূলক টেনিস খেলবেন। জীবনের শেষ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী নাদালের সঙ্গে জুটি বাঁধতে চেয়েছিলেন। সেই ইচ্ছাও পূরণ হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ জিততে পারেননি ফেডেরার। শুক্রবার লেভার কাপের ডাবলস ম্যাচে আমেরিকার জ্যাক সক এবং ফ্রান্সেস টিয়াফো জুটির বিরুদ্ধে হেরে লেভার কাপ থেকে বিদায় ফেডেরার-নাদাল জুটির। এদিন ম্যাচের শেষে বিষণ্ণ ছিলেন রজার নিজেও। নিজের ইচ্ছায় অবসর নিচ্ছেন, তাও যেন তিনি ব্যাপারটি মানতে পারছে না। চোখে জল, মুখে হাসি দেখা গিয়েছে তাঁর। এ যেন এক অন্য মুহূর্তে টেনিস বিশ্বের জন্য।

রজার ফেডেরারের সঙ্গে রাফায়েল নাদালের দ্বৈরথ প্রায় দুই দশক ধরে উপভোগ করেছেন টেনিসপ্রেমীরা। শেষ ম্যাচে দুজনে একসঙ্গে খেললেন। আন্তর্জাতিক টেনিস কেরিয়ারের শেষ ম্যাচে ফেডেরারের চোখে জল আসাটা অস্বাভাবিক নয়। তবে রাফায়েল নাদালের কান্না বলে দিল কতটা আবেগঘন ছিল ফেডেরারের বিদায় মুহূর্তটি। লেভার কাপে নামার আগে শেষ ম্যাচে নাদালের সঙ্গে জুটির নাম ফেডাল রেখেছিলেন ফেডেরারই। যদিও তাঁরা পরাস্ত হলেন টিম ওয়ার্ল্ডের জ্যাক সক ও ফ্রান্সেস তিয়াফোর কাছে। খেলার ফল ৬-৪, ৬-৭, ৯-১১। শেষ ম্যাচ শেষে স্ত্রীকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেন ফেডেরার। স্ত্রীর পরে দুই ছেলে, দুই মেয়ে, বাবা, মা’কে জড়িয়ে ধরেন। পরিবারের পরে সতীর্থ নোভাক জোকোভিচ, রাফায়েল নাদালরাও এসে জড়িয়ে ধরেন ‘রাজা’কে। কিন্তু আবেগ কিছুতেই কমে না, উলটে তা বাড়তেই থাকে। যারা এই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছে তাদের সবার চোখেই জল। অর্থাত্‍ সবাইকে কাঁদিয়ে বিদায় নিলেন তিনি।

আরও পড়ুন:  Brazil : কোয়ার্টারে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ কারা? কবে মাঠে নামবে সেলেকাওরা?

ম্যাচের শেষে ফেডেরার আলিঙ্গন করলেন নাদালকে। জড়িয়ে ধরলেন সক ও তিয়াফোকেও। ৪১ বছরের ফেডেরার বললেন, আরও একবার খেলতে পারাটা দারুণভাবে উপভোগ করেছি। সব কিছুরই একটা শেষ থাকে। কেরিয়ারের বিদায় মুহূর্তটাও তিনি যে উপভোগ করলেন সেটাও জানিয়েছেন ফেডেক্স। আরও জানান, ঠিক যেমনটা ভেবেছিলেন, বিদায়বেলায় তার সব কিছুই পারফেক্ট ছিল। এমন অনুভূতিরই সাক্ষী থাকতে চেয়েছিলেন। সতীর্থদের ফেডেরার বলেছেন, আমার কোনও দুঃখ নেই। আমি খুশি। সামগ্রিকভাবে অনুভূতি এক কথায় গ্রেট। নাদালের সঙ্গে একই দলের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলতে পারা, রড লেভার, এডবার্গ, স্টেফানদের উপস্থিতিতে শেষ ম্যাচটিও দারুণ ছিল বলেই জানিয়েছেন রজার। তাঁর কথায়, এর থেকে সুখের কিছু হতে পারে না। দারুণ সময় কাটালাম। এদিম সতীর্থ ও প্রতিপক্ষরা কাঁধে তুলে যেভাবে ফেডেরারের পেশাদার টেনিসের বিদায় মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখলেন তাতে যেন পূর্ণতা পেল সেলিব্রেশন।

আরও পড়ুন:  Subha Bijoya: মুক্তির পথে ' শুভ বিজয়া '

Featured article

%d bloggers like this: