18 C
Kolkata

SSC, TET-এর পর এবার মাদ্রাসার নিয়োগেও দুর্নীতি

নিজস্ব প্রতিবেদন: স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিপুল দুর্নীতি নিয়ে যখন তোলপাড় রাজ্য, তখন প্রকাশ্যে এল মাদ্রাসা শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির খবর। মাদ্রাসায় দুর্নীতি হয়েছে দাবি করে এক চাকরিপ্রার্থী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। মামলাকারীর অভিযোগ, পরীক্ষায় তাঁর পরিবর্তে উত্তর দিয়েছেন অন্য কেউ। মামলাটি উঠেছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। শুক্রবার মামলার শুনানির পর কেন্দ্রীয় ফরেনসিককে দিয়ে উত্তরপত্র পরীক্ষা করার নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। CFSL-র ডিরেক্টরকে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হাই কোর্টে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

মামলাকারী আব্দুল হামিদ বলেন, ‘ইচ্ছাকৃত ভাবে আমাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। বঞ্চিত করা হয়েছে আমাকে। আরও অনেকের সঙ্গে এ রকম দুর্নীতি হয়েছে।’ মামলাকারীর আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, ‘আব্দুল হামিদকে বঞ্চিত করা হয়েছে। শুধু মাত্র হামিদের সঙ্গে ঘটেছে তা নয়, আরও অনেকের সঙ্গে হয়েছে। সেই কারনেই তদন্ত হওয়া জরুরি।’

আরও পড়ুন:  Joka-Taratala Metro: ডিসেম্বরেই খুলছে জোকা-তারাতলা মেট্রো

শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্য়ায় মামলার শুনানির সময় জানান, সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবরেটরির তরফে ওএমআর শিট খতিয়ে দেখা হবে। পরীক্ষার্থী যে কলমের কালিতে পরীক্ষা দিয়েছেন, উত্তরপত্রে তা ছাড়া অন্য কোনও কলমের কালি রয়েছে কি না, তা দেখা হবে। এর পাশাপাশি, উত্তরপত্রে কলমের একই চাপ প্রয়োগ করে লেখা হয়েছে কি না, তাও দেখা হবে। আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে ওই উত্তরপত্র সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবরেটরির কাছে পাঠাতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সিএফএসএল-কে ওই উত্তরপত্র খতিয়ে দেখে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

Featured article

%d bloggers like this: