28 C
Kolkata

Anubrata Mondal : চাপ বাড়ল অনুব্রত মণ্ডলের

নিজস্ব প্রতিবেদন : বুধবার সারাদিন বীরভূমের নানা জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। সেই তল্লাশির পর উদ্ধার হয়েছে ১৭ লক্ষ টাকা-সহ পেন ড্রাইভ, হার্ড ডিস্ক। এরপর অনুব্রত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আবদুল কেরিম খান এবং সিউড়িতে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় অফিসাররা। সূত্রেr খবর, এই তল্লাশি অভিযানের সঙ্গে গরু পাচার কাণ্ডের যোগ তল্লাশি ছিল।

সিবিআই-এর এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, কলকাতা বীরভূম মিলিয়ে মোট ১৩ টি জায়গা তল্লাশি চালিয়েছিল । তাঁরা বলেন,’ তল্লাশি অভিযান সময় ১০টি মোবাইল ফোন, পেন ড্রাইভ, হার্ড ডিস্ক, বেশ কয়েকটি অপরাধমূলক নথি এবং লকারের চাবি সহ প্রায় ১৭ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে। তবে তদন্ত এখনও চলছে।’ এছাড়াও বাড়ির তালা ভেঙে সিউড়ি সাজানো পল্লী ও পাইকপাড়ার বাড়িতে প্রবেশ করা হয় ।

আরও পড়ুন:  Purulia: বন্ধ রেল পরিষেবা, স্তব্ধ জাতীয় সড়ক
আরও পড়ুন:  Nabanna : 'দিদিকে বলো' র পর নতুন উদ্যোগ নবান্নের

কয়লা পাচার কাণ্ডে অনেক আগেই অনুব্রত মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। এমনকী গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি ওই দেহরক্ষীর ইলামবাজার–সহ বীরভূমের নানা জায়গায় কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির হদিস মিলেছে।

উল্লেখ্য সিরিয়ালের জেরার মুখে পড়ে অনুব্রত বলেছিলেন তিনি চুরি করেননি। তবে বীরভূম জেলার সভাপতি দেহরক্ষীর সম্পত্তির পরিমাণ দেখে বিস্মিত সকলে। প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে সায়গলের । একজন পুলিশ কনস্টেবলের এত পরিমাণ সম্পত্তি থাকায় তা আয় বহির্ভূত বলেই মনে করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।

কিন্তু সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে , সায়গলের সেভাবে পৈতৃক সম্পত্তি ছিল না সেভাবে পৈত্রিক সম্পত্তি ছিল না। পুলিশ কনস্টেবলের চাকরি পাওয়ার পরই অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী হয়েছিলেন তিনি । তারপর থেকেই ব্যাপকহারে বাড়তে থাকে তার সম্পত্তির হার। এমনকি স্কুল শিক্ষিকার চাকরি ও পেয়েছেন তার স্ত্রী । নিউ টাউন বোলপুর সহ একাধিক জায়গায় রয়েছে তার বাড়ি । পাশাপাশি পেট্রোল পাম্প এবং ২০০ বিঘা জমি রয়েছে সায়গলের। আর এই সমস্ত সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা!

আরও পড়ুন:  Breaking : নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে ফের গ্রেপ্তার এক

Featured article

%d bloggers like this: