28 C
Kolkata

Jhalda Murder Case:- ঝালদা কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন সিবিআই আধিকারিকদের

নিজস্ব প্রতিবেদন:- রাজ্যের উচ্চ আদালত হাইকোর্টের নির্দেশে ঝালদা পৌরসভা কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের হাতে। তদন্তভার হাতে পেয়েই তদন্তে নেমে পড়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। ঝালদা বনাঞ্চলের অতিথি আবাসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এর একটি অস্থায়ী ক্যাম্প করে সেখানেই প্রতিনিয়ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ আধিকারিক সহ রাজনৈতিক নেতৃত্বদের।

কাউন্সিলার খুনের ঘটনায় এলাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা জানতে এক সিপিএম নেতাকে জেরা করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। জেরা করা হয় ঘটনাস্থলের পাশে মোবাইল টহলদারি ভ্যানে থাকা পাঁচ জন পুলিশ কর্মী কে। পুলিশ কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাদেরকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তদন্তকারী অফিসাররা। মূলত এক এক করে বিভিন্ন সূত্র ধরে খুনের আসল রহস্য পৌঁছাতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের ডিআইজি অখিলেশ সিং এদিন আধিকারিকদের নিয়ে ঝালদা বাগমুন্ডি সড়কপথে গোকুলনগর গ্রামে পৌঁছানো। এছাড়াও পুলিশকর্মীরা সেই দিন সেই সময়ে কোন কোন জায়গায় ডিউটিতে ছিলেন সে সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে গোয়েন্দারা। জানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বাইকে থাকা তিন আততায়ীকে আদৌ কি সেদিন তারা দেখেছিলেন ? এমনকি ওই সড়কপথ কোন কোন এলাকা দিয়ে গেছে এবং আশেপাশে কোন কোন গ্রাম রয়েছে তা জানতে চেয়েছেন সিবিআইয়ের ডিআইজি অখিলেশ সিং।

আরও পড়ুন:  লক্ষাধিক টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি, অবসাদে আত্মঘাতী যুবক
আরও পড়ুন:  Kamarhati Riot: অগ্নিগর্ভ! কামারহাটিতে চলল গুলি

সূত্রের খবর ঝালদা পৌরসভা এলাকার ৩৬ টি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে সিবিআই আধিকারিকরা। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে এদিন ঝালদা থানার আইসি সঞ্জীব ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা থাকলেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি তাকে বরং জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে সিপিএমের ঝালদা এরিয়া কমিটির সম্পাদক উজ্জ্বল চট্টরাজকে, এছাড়াও কাউন্সিলর খুনের চার প্রত্যক্ষদর্শীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই আধিকারিকরা। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলরের ভাইপো মিঠুন কান্দুকেও।

ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এলাকার একটি ম্যাপ তৈরি করে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই আধিকারিকরা। পাশাপাশি নিহত কাউন্সিলরের স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু সহ তার পরিবারের সাথে দেখা করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে ঘটনায় পুলিশি হেফাজতে থাকা অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে নেবে সিবিআই আধিকারিকরা। যার কারণে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ তাদের হেফাজতে থাকা তিনজনকেই পুরুলিয়া আদালতে তোলে। তাদের ১৪ দিন বিচারাধীন হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের পক্ষ। বিচারাধীন হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ধৃত দীপক কান্দুকেও।

আরও পড়ুন:  Malda: স্কুলের সামনে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবক
আরও পড়ুন:  Howrah: ডেঙ্গিতে জোড়া মৃত্যু

Related posts:

Featured article

%d bloggers like this: