28 C
Kolkata

Shootout: অবাক কাণ্ড! চুঁচুড়ায় ডনকে গুলি দুষ্কৃতির

নিজস্ব প্রতিবেদন: চুঁচুড়ার ইমামবাড়া হাসাপাতালে ভরদুপুরে চলল গুলি। রবীন্দ্রনগরের বিচারধীন কুখ্যাত দুষ্কৃতী টোটন বিশ্বাসকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। জানা গিয়েছে, রীতিমতো পরিকল্পনা করেই রোগীর ছদ্মবেশে দুষ্কৃতীদের একটি দল ওঁত পেতেছিল হাসপাতালের ভেতর ও বাইরে।
ভিড়ে থইথই হাসপাতাল চত্ত্বর। সেই সুযোগের গুলি চালায় দুষ্কৃতীদল। গুলিবিদ্ধ হয় টোটন বিশ্বাস। গুলিবিদ্ধ রক্তাক্ত ডনের দৌড় হাসপাতাল চত্ত্বরের উত্তেজনা তীব্র করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই চন্দননগর কমিশনারেটের কমিশনার অমিত জাভালগি বিরাট পুলিস বাহিনী নিয়ে হাসপাতাল ঘিরে ফেললেও দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ টোটনকে পুলিস উদ্ধার করে অপারেশন করানোর ব্যবস্থা করে। বিকেলে তাকে কলকাতায় রেফার করে দেওয়া হয়। গোটা ঘটনায় উদ্বিগ্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও। এদিন হাসপাতালের তরফে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য পুলিসের কাছে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে চন্দননগর পুলিস কমিশনারেটের তরফে লিখিত বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণেই ওই ঘটনা ঘটছে। দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করা গিয়েছে। তদন্ত চলছে। এদিকে, কলকাতায় চিকিৎসা করাতে যাওয়ার আগে টোটন এদিন বলে, ‘বাবু পালের লোকজনই গুলি চালিয়েছে। আমি ওকে ছাড়ব না।’
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, একাধিক মামলায় বিচারাধীন ডন টোটোন ও তার সঙ্গী বিশফাই ওরফে সঞ্জয় হালদারকে এদিন আদালতে তোলার আগে মেডিক্যাল করাতে আনা হয়েছিল। তাদের একটি বিশেষ গাড়িতে করে আনা হয়। পরীক্ষার পরে ইমামবাড়া হাসপাতালের আপৎকালীন বিভাগের সামনে দিয়ে বের করার সময়েই দুষ্কৃতীরা টোটনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। দু’রাউন্ড গুলি চালে। একটি গুলি টোটনের পেট ও বুকের মাঝামাঝি স্থানে লাগে। আক্রান্ত হয়েছে বুঝতে পেরেই ছোট পুলিসের হাত ছাড়িয়ে দ্রুত ছুটে পালাতে যায়। তখন হাসপাতাল চত্ত্বরে আরেকটি প্রিজন ভ্যান দাঁড়িয়ে ছিল। সঙ্গী-সহ বিশফাইও সেখানেই ঢুকে পড়ে। ততক্ষণে হাসপাতালে হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। সেই ফাঁকে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয়। পরে পুলিস দু’টি ওয়ান শটার ও একটি প্ল্যাস্টিক ব্যাগ উদ্ধার করেছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত সাতজন দুষ্কৃতী এসেছিল। তারা রোগী সেজে এসেছিল। হাসপাতালে আপৎকালীন বিভাগের সামনের সরু জায়গার সুবিধা নিয়েই গুলি চালায়। হাসপাতালের ওই স্থানের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিস। ফিল্মি কায়দায় এদিনের শুট আউটে শহরময় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

আরও পড়ুন:  Howrah: নবরূপে হাওড়া ব্রিজ
আরও পড়ুন:  SSC : গ্রেপ্তার এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান

বাবু পাল ছিল এ কদা টোটনের অন্যতম বিশ্বস্ত সঙ্গী। কিন্তু বনিবনা না হওয়ায় টোটন তাকে মারধর করে দল থেকে বের করে দিয়েছিল। ২০১৮ সাল নাগান পুলিস বাবুকে গ্রেপ্তারও করে। তারপরে জামিন পেলেও খুব সক্রিয়তা দেখা যায়নি।

Featured article

%d bloggers like this: