27 C
Kolkata

Mamata Banerjee: ‘আব কি বার পগার পার’ বিজপির জন্য নিন্দার ঝড় মমতার মুখে

নিজস্ব প্রতিবেদন: সোমবার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিক্ষোভের পর বুধে বসে দ্বিতীয় অধিবেশন। তবে এও শান্তভাবে হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ চলাকালীনই বিজেপি বিধায়কেরা বিক্ষোভ দেখায়। পূর্ব অধিবেশনে উত্তেজনা তৈরির জন্য দুই বিধায়ককে সাসপেন্ড করা হয়। গোটা অধিবেশনের জন্যই তা বজায় থাকবে। সাসপেনশোন তুলে নেওয়ার জন্যই কক্ষে বিক্ষোভ দেখায় তারা। এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ শেষ হলে তারা ওয়াকআউট করেন। অলিন্দে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখায়। নেতৃত্ব দেন শুভেন্দু অধিকারী।

অন্যদিকে, নিজের ভাষণে বিজেপিকে চরম তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরভোটে তাদের হার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ”বিজেপির গুন্ডামির তীব্র ভাষায় নিন্দা করছি। নিজেদ্র ওয়ার্ডে হেরে গিয়েও লজ্জা নেই। এই ঔদ্ধত্য এবং অহংকার একদিন দেশ থেকে বিদায় নেবে।” উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরির বিতর্ক ওঠে নেত্রীর মুখে। তিনি বলেন, ”আমরা কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মারি না।” একুশের বিধানসভা নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন তিনি। ”বাংলা অত সহজ মাটি নয়। এই মাটি শান্তির মাটি এত কুৎসা অপপ্রচার সত্বেও বাংলার মানুষ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বিচলিত হননি।” লোকসভা নির্বাচনের দিকেও কড়া দৃষ্টি রয়েছে মমতার। চলতি বছরের মাঝামাঝি থেকে দলের নেতৃত্বকে গ্রামে গ্রামে পাঠানো হবে। নজরুল মঞ্চে এই ঘোষণা আগেই সেরেছেন তিনি। বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানান মমতা। (কুঁচকানো কপালে) তাঁকে বলতে শোনা গেছে,”এনআরসি নিয়ে প্রতিবাদ করলে মানুষ মারছে। কোভিডে মারা গেলে গঙ্গায় ভাসাচ্ছে। বলেছিল অব কি বার ২০০ পার। এবার অব কি বার পগার পার হবে।” বাংলায় তৃণমূল আসার পর চড়চড়িয়ে উন্নয়ন হয়েছে। একথা তৃণমূলের মুখে হামেশাই শোনা যায়। এইদিন ভাষণেও তার অন্যথা হল না। মমতা বলেন, ”বাংলা এতদিন পিছিয়ে ছিল। ওরা আমরা চাই শান্তি। ওরা চায় অশান্তি। আমরা চাই শিল্প, ওরা চায় দুর্ভিক্ষ। ওদের বিশ্রাম নেওয়ার সময় এসেছে।”
দুর্গাপুজো নিয়ে গর্ব ধরা পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর মুখেই। তাঁর বহিঃপ্রকাশও ঘটে ভাষণে, ”আমাদের দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর কালচারাল হেরিটেজ এর তকমা পেয়েছে।” কাজের খতিয়ান তুলে ধরেছেন মমতা। একের পর এক রাজনৈতিক ঝড়ের পাশাপাশি এসেছে প্রকৃতির তাণ্ডব-ও। তিনি জানান, ”ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ৮ টি জেলার ১৮লক্ষ বেশি কৃষককে সাহায্য করেছি। ২৬১ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছি।” নিজের প্রকল্পের তালিকাও মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ধরা পড়ে। সবুজ সাথী, শিক্ষাশ্রী সব করেছি আমরা।” বাংলা যে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছে গেছে, তাতে আরও একবার শিলমোহর দেন নেত্রী।

আরও পড়ুন:  Durga Puja: মণ্ডপে যাবার আগেই প্রতিমার উপর দুষ্কৃতি হামলা, মাথায় হাত শিল্পীদের

Featured article

%d bloggers like this: