28 C
Kolkata

Mamata Banerjee: পাহাড়ে ফুচকা বানালেন মমতা, অন্য হাতে উন্নয়নের বার্তা

দার্জিলিং: ‘উন্নয়ন চায়, শান্তি চায়…সেই কারণেই পাহাড় জিটিএ চায়’। এই মন্ত্রেই দশ বছর পর গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিসট্রেশন নির্বাচন হয়েছে। জয়ী প্রার্থীর শপথ গ্রহণে পাহাড়ে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই বৈঠক সেরে এরিচমন্ড হিল থেকে চিড়িয়াখানায় যাওয়ার পথে এগোন। সেখানেই ফুচকার স্টল দেখতে পেয়েই গাড়ি থেকে নামেন তিনি। নিজের হাতে ফুচকা বানান মুখ্যমন্ত্রী। চামচের ডাঁটি দিয়ে ফুচকা ভেঙে, আলু-মটরের পুর, মশলাও ভরেন তিনি। দেখতে ভিড় জমান কচিকাঁচা থেকে বয়স্ক, সকলেই।

গোটা সফরেই খোশ মেজাজে ছিলেন মমতা। এইদিন দার্জিলিঙে রাজভবনের পাশে তৈরি হওয়া কফি হাউজ উদ্বোধন করেন মমতা। পাশে ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, অভিনেতা সাহেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর গানে গলা মিলিয়ে মমতাও ‘আলোকের এই ঝর্ণাধারায় ধুইয়ে দাও…’ গেয়ে ওঠেন। অরূপ বিশ্বাস বলেন, ‘পাহাড় এখন শান্ত। এখানে বছরে ৩৬৫ দিনই পর্যটক আসেন। তাই এই ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর।’ কফি হাউজ নিয়ে আবেগের ভাষা ফুটে ওঠে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টেও।

শৈলশহরের প্রশংসাও শোনা যায় মমতার মুখে। তাঁর কথায়, ‘এত শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আগে দেখিনি। পাহাড়ে যাঁরা ফুটপাথে ব্যবসা করেন, তাঁদের দোকান তৈরি করতে সাহায্য করে দেব আমরা। দার্জিলিঙে নতুন শহর, ইন্ডাস্ট্রিয়াল, হাব, শপিং মল, রেস্তোরাঁ তৈরি হবে। মিরিকের জন্যেও ভেবেছি। কালিম্পং কার্শিয়াংও উন্নয়নের হাসি হাসবে। জিটিএ নির্বাচনে ৭ হাজার কোটি টাকা দিয়েছি।’  

পাহাড়ের অর্থনীতি চাঙ্গা করার বার্তাও দিয়েছেন মমতা। বলেন, ‘অনীতের সঙ্গে গতকাল আমি অনেক কথা বলেছি। জিটিএর শপথের পর আমি অনীতকে কলকাতায় আসতে বলেছি।’ ‘ধান্দাবাজ’ বিজেপিকে প্রশ্রয় না দেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। জিটিএ সদস্যদের প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর শান্তিরক্ষার বার্তা এসেছে এইদিন। তাঁর পরামর্শ, ‘অনেকে গালি দিচ্ছে। আমি ঝগড়া নয়, বন্ধুত্ব চাই। পাহাড় ভাল থাকুক, এগিয়ে যাক। আপনারা কোন দলের ভুলে গিয়ে মানুষের জন্য কাজ করুন।’

আরও পড়ুন:  Extra train on Durga Puja : পুজো উপলক্ষ্যে বাড়তি ট্রেন ! দেখে নিন লিস্ট
আরও পড়ুন:  Purba Medinpur: ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব

Featured article

%d bloggers like this: