28 C
Kolkata

Mir Jafar: ‘বিশ্বাসঘাতকতা’র লজ্জা আজও বহাল


নিজস্ব প্রতিবেদন: ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে ধরাশায়ী হলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা। ইতিহাসের পাতায় ‘গদ্দার’ হিসেবে হয়ে রয়েছেন নবাবের প্রধান সেনাপতি মীরজাফর। আর সেই পরিচয় গ্লানিতে এখনো দিন কাটাচ্ছে তার বংশধরেরা। ভাবছেন এমন কথা কেন বলা হচ্ছে…..

তার একটাই কারণ, এখনও মীরজাফরের বংশধরের খোঁজ পাওয়া যায় জাফরাগঞ্জ প্যালেসেই। এটা কোন গল্প কথা নয় এটাই সত্যি।সেখানে থাকা তাঁদের একজন জানান, ‘যাঁরা বংশধর আছে, তাঁরা হয়তো প্রকাশ্যে আসতে চায় না। সামনে এলেই আবার কে ভালো, কে মন্দ সেই সব বিতর্কে আমরা যেতে চাইছি না। তবে, যুদ্ধের ফল যদি উল্টো হত, যদি মীরজাফর জিতত, তাহলে মুর্শিদাবাদের অবস্থা আরও ভালো হত’। মীরজাফরের বংশধরের দাবি, ‘সেদিন আমাদের পতনই হয়েছিল। কিন্তু আজ যদি মীরজাফর না হত, তাহলে মুর্শিদাবাদ শহরটা কেমন হত? এই যে হাজারদুয়ারী, ইমামবাড়াতে পর্যটকরা আসছে, সেটা কিন্তু মীরজাফরের জন্যই’।

আরও পড়ুন:  Durga Puja2022: ত্রিশূলের বদলে মা দুর্গার হাতে তৃণমূলের দলীয় পতাকা!
আরও পড়ুন:  Primary TET : অবশেষে ঘোষিত হলে টেটের দিন

প্রসঙ্গত, মীরজাফরের ষড়যন্ত্রের শিকার বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নবাব। তবে পলাশী যুদ্ধের পর খুব বেশিদিন নবাবীয়ানা দিন কাটাতে পারেননি তিনি। মৃত্যুর পর বসতবাড়ি জাফরাগঞ্জ প্যালেসের কাছে কবরস্থানে সমাধিস্থ করা হয় মীরজাফরকে। এমনকী, তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী, ছেলে সেখানে শায়িত।

Featured article

%d bloggers like this: